11:20 pm, Friday, 16 October 2026

অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আমতৈল ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে


নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৯ নং আমতৈল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস বিরুদ্ধে সরকারি কাজে অনিয়ম, জোরপূর্বক জমি ও সম্পত্তি দখল, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান তার প্রভাব’কে কাজে লাগিয়ে কয়েকজন সহযোগীর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। অভিযোগে জাকির হোসেন ,বসির মিয়া, আব্দুর রহিম,আবেদ মিয়া ,রিপন মিয়াও শিশু মিয়া নামের কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জমি ও সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল, সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, প্রতিবাদ করলে কিংবা তার কোনো কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানি করা হয। এমনকি প্রতিবাদকারীদের অনেকেই মামলা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে হয়রানি বা গ্রেফতারের আশঙ্কা এড়াতে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না। চেয়ারম্যানের ভয়ে এলাকার কেউ কেউ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।এছাড়া আরও জানা গেছে একই ইউনিয়নের খুশহাল পুর গ্রামের কুদ্দুস মিয়া ও জব্বার মিয়ার পরিবার চেয়ারম্যান এর ভয়ে কুমিল্লায় চলে গেলে ও তিনি তার প্রভাব খাটিয়ে,তার লোকদেরকে দিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে পুনরায় নিয়ে এসেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরো অভিযোগ রয়েছে বর্তমান রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ। ফলে অভিযোগ থাকলেও অনেক মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে সুজিত চন্দ্র দাস ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে।
কেউ কোনো প্রতিবাদ বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিভিন্নভাবে চাপ, হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়তে হয় সেই প্রতিবাদ কারিকে। এ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ না করে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নীরব থাকতে বাধ্য হন। আরও অভিযোগ, সরকারি অনুদান ও সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছায় না। উন্নয়ন কাজ ও রাস্তাঘাট নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে জনসাধারণের।
এবিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস এর মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আমতৈল ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

Update Time : 05:37:00 pm, Friday, 4 September 2026


নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৯ নং আমতৈল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস বিরুদ্ধে সরকারি কাজে অনিয়ম, জোরপূর্বক জমি ও সম্পত্তি দখল, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান তার প্রভাব’কে কাজে লাগিয়ে কয়েকজন সহযোগীর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। অভিযোগে জাকির হোসেন ,বসির মিয়া, আব্দুর রহিম,আবেদ মিয়া ,রিপন মিয়াও শিশু মিয়া নামের কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জমি ও সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল, সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, প্রতিবাদ করলে কিংবা তার কোনো কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানি করা হয। এমনকি প্রতিবাদকারীদের অনেকেই মামলা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে হয়রানি বা গ্রেফতারের আশঙ্কা এড়াতে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না। চেয়ারম্যানের ভয়ে এলাকার কেউ কেউ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।এছাড়া আরও জানা গেছে একই ইউনিয়নের খুশহাল পুর গ্রামের কুদ্দুস মিয়া ও জব্বার মিয়ার পরিবার চেয়ারম্যান এর ভয়ে কুমিল্লায় চলে গেলে ও তিনি তার প্রভাব খাটিয়ে,তার লোকদেরকে দিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে পুনরায় নিয়ে এসেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরো অভিযোগ রয়েছে বর্তমান রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ। ফলে অভিযোগ থাকলেও অনেক মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে সুজিত চন্দ্র দাস ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে।
কেউ কোনো প্রতিবাদ বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিভিন্নভাবে চাপ, হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়তে হয় সেই প্রতিবাদ কারিকে। এ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ না করে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নীরব থাকতে বাধ্য হন। আরও অভিযোগ, সরকারি অনুদান ও সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছায় না। উন্নয়ন কাজ ও রাস্তাঘাট নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে জনসাধারণের।
এবিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান সুজিত চন্দ্র দাস এর মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।