4:27 am, Wednesday, 15 July 2026

বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদীর পানি বাড়ায় চর ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসফা উদ দৌলা জানান, উজানের ঢলে তিস্তার পানি আজ (শুক্রবার) ভোর ৬টার দিকে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই, পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবড়ি, খালিশাচাঁপানী ও ঝুনাগাছ চাঁপানী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, কৈইমারী, শৌলমারী ইউনিয়নের চর গ্রামগুলো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার জনপ্রতিনিধিরা।

বিভিন্ন চরাঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। তিস্তার পানি বাড়ছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক জানান, নদীর নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীরা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তাদের সহস্য সহযোগিতার প্রয়োজন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের সহায়তা পেল রাজনগরের একই পরিবারের ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী

বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Update Time : 07:15:19 am, Friday, 2 September 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদীর পানি বাড়ায় চর ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসফা উদ দৌলা জানান, উজানের ঢলে তিস্তার পানি আজ (শুক্রবার) ভোর ৬টার দিকে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই, পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবড়ি, খালিশাচাঁপানী ও ঝুনাগাছ চাঁপানী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, কৈইমারী, শৌলমারী ইউনিয়নের চর গ্রামগুলো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার জনপ্রতিনিধিরা।

বিভিন্ন চরাঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। তিস্তার পানি বাড়ছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক জানান, নদীর নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীরা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তাদের সহস্য সহযোগিতার প্রয়োজন।