1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণ করানো হচ্ছে উইঘুর সংখ্যালঘু মুসলিমদের

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩৮ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ::চীনে বরাবরই উপেক্ষিত উইঘুর মুসলিমরা সম্প্রদায়। তাদের প্রতি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে দেশটি। পশ্চিম জিনজিয়াং অঞ্চলের উইঘুর এবং অন্যান্য প্রধানত মুসলিম সংখ্যালঘু লোকদের জনসংখ্যা সীমিত করার জন্য নারীদেরকে বন্ধ্যাকরণ কিংবা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য করছে চীন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনই তথ্য ওঠে এসেছে।

চীন বিশেষজ্ঞ অ্যাড্রিয়ান জেঞ্জের পরিচালিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, চীনের নীতিটি সম্ভবত মন্থরবেগে জনসংখ্যাগত ‘গণহত্যার’ শামিল। তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানান।

তবে চীন এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। চীন ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখের বেশি উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে থাকতে বাধ্য করছে।

এর আগেও জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে চীনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, জিনজিয়াং প্রদেশে চীন উইঘুর মুসলমানদের প্রতি “গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন” করেছে বলে মনে করছে জাতিসংঘ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীন সংখ্যালঘুদের অধিকার দমন করার জন্য একটি অস্পষ্ট জাতীয় নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করছে এবং বিধিবহির্ভূতভাবে উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকদেরকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখছে। আটক বন্দিদের সঙ্গে অপরাধমূলক আচরণ করা হচ্ছে এবং তাদের উপর জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতি প্রয়াগ করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়, চীন যেন অবিলম্বে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা “স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত সকল ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার” পদক্ষেপ গ্রহণ করে। রিপোর্টে আরও বলা হয়, বেইজিংয়ের এসব পদক্ষেপ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসাবে গণ্য হতে পারে।

তবে চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। চীন বলছে, এসব ক্যাম্প আসলে পুনঃশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসবাদ এবং চরমপন্থা মোকাবিলায় এর দরকার রয়েছে বলে দাবি করেছে চীন।

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে অন্তত ১ কোটি ২০ লক্ষ উইঘুর মুসলমান বাস করে। তারা জিনজিয়াংয়ে বৃহত্তম তুর্কি-ভাষাভাষী আদিবাসী সম্প্রদায়।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..