2:48 am, Monday, 19 January 2026

রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন শততম দিন, বাড়ছে যুদ্ধের ভয়াবহতা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন শুক্রবার ১০০তম দিনে প্রবেশ করেছে। এ দিন দেশটির পূর্বাঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা বেড়ে যেতে দেখা যায়। ইউক্রেনের দনবাসে রুশ সেনারা তাদের অবস্থান জোরদার করছে।

নিরানন্দ এই দিনে কিয়েভ জানায়, মস্কো বর্তমানে ইউক্রেন ভূখ-ের এক পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে দখল করা ক্রিমিয়া ও দনবাসের বিভিন্ন অংশ অন্তর্ভূক্ত রয়েরছে।

রাজধানী নিরস্ত্র করার পর প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সৈন্যরা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল দখলের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। এতে যুদ্ধের প্রচন্ডতা আরো বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে হোয়াইট হাউসে আলোচনার পর ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ বৃহস্পতিবার সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের মিত্রদের ‘যুদ্ধ মোকাবেলায়’ কঠোর অবস্থানে যাওয়া প্রয়োজন।

স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘আমাদেরকে এখন এ যুদ্ধের জন্য দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ এদিকে ন্যাটো রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে চায়না, এমন কথাও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলানস্কি বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন এবং লাখ লাখ লোক বাধ্য হয়ে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যান। তিনি আরো বলেন, এ যুদ্ধে প্রতি দিন ইউক্রেনের প্রায় ১০০ সৈন্য প্রাণ হারাচ্ছেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন শততম দিন, বাড়ছে যুদ্ধের ভয়াবহতা

Update Time : 10:45:22 am, Friday, 3 June 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন শুক্রবার ১০০তম দিনে প্রবেশ করেছে। এ দিন দেশটির পূর্বাঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা বেড়ে যেতে দেখা যায়। ইউক্রেনের দনবাসে রুশ সেনারা তাদের অবস্থান জোরদার করছে।

নিরানন্দ এই দিনে কিয়েভ জানায়, মস্কো বর্তমানে ইউক্রেন ভূখ-ের এক পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে দখল করা ক্রিমিয়া ও দনবাসের বিভিন্ন অংশ অন্তর্ভূক্ত রয়েরছে।

রাজধানী নিরস্ত্র করার পর প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সৈন্যরা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল দখলের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। এতে যুদ্ধের প্রচন্ডতা আরো বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে হোয়াইট হাউসে আলোচনার পর ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ বৃহস্পতিবার সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের মিত্রদের ‘যুদ্ধ মোকাবেলায়’ কঠোর অবস্থানে যাওয়া প্রয়োজন।

স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘আমাদেরকে এখন এ যুদ্ধের জন্য দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ এদিকে ন্যাটো রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে চায়না, এমন কথাও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলানস্কি বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন এবং লাখ লাখ লোক বাধ্য হয়ে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যান। তিনি আরো বলেন, এ যুদ্ধে প্রতি দিন ইউক্রেনের প্রায় ১০০ সৈন্য প্রাণ হারাচ্ছেন।