1:02 am, Tuesday, 28 July 2026

শিরোপা জিততে বরিশালের দরকার ১৫২ রান

ক্রীড়া ডেস্ক : সুনিল নারিনের ঝড়ে যেন দিশেহারা ফরচুন বরিশাল। পাওয়ার প্লে’তে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়া এই ক্যারিবিয়ান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ ওভারে এনে দেন ৭৩ রানের পুঁজি। ২৩ বলে ৫৭ রানে আউট হলে নারিন আউট হলে প্রথম ইনিংসের চিত্র আবারও পাল্টে যায়। ৬৯ থেকে ৯৫ রানের মাঝে বিদায় নেন কুমিল্লার ৫ ব্যাটসম্যান। তারপরও মঈন আলী ও আবু হায়দারের দৃঢ়তায় বিপিএল ফাইনালে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ২ বারের চ্যাম্পিয়নরা।

টসে জিতে ব্যাটিং করতে নামা কুমিল্লাকে আসমান ছোঁয়া সূচনা এনে দেন নারিন। প্রথম ওভারে মুজিব উর রহমানের বিপক্ষে এই ক্যারিবিয়ান নেন ১৮ রান। দ্বিতীয় ওভারে শফিকুল ইসলামের বিপক্ষে লিটন মাত্র ২ রান নিলেও নারিনের ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান।

২ ওভারে ৩৩ রান স্কোরবোর্ডে তুলেও থামেননি নারিন। বোলিংয়ে এসেন ৪ রানে লিটনকে বোল্ড করে সাকিব দেন মাত্র ৩ রান। আর চতুর্থ ওভারে আসে ৬ রান। তবে ইনিংসের ৫ নম্বর ওভারে সাকিবের বিপক্ষে ১৬ রান নেয়ার সঙ্গে ২১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন নারিন।

পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে মেহেদি হাসান রানাকে প্রথম বলে ছক্কা হাঁকালেও দ্বিতীয় বলে ২৩ বলে ৫৭ রানে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন তিনি। নারিন ফেরার পরই যেন পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। রান আউটের ফাঁদে পড়ে ৮ রানে বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়।

৭ ওভার শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান স্কোরবোর্ডে থাকা দলটিকে বেশিদূর টানতে পারেননি ফাফ ডু প্লেসি। মুজিবকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৪ রানে আউট হন তিনি। এরপর দলীয় ৯৪ ও ৯৬ রানে ইমরুল ও আরিফুলকেও বিদায় করেন মুজিব ও ব্রাভো।

১০০’র আগে ৬ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে উল্টো চাপে পড়ে কুমিল্লা। ১২ থেকে ওভার পর্যন্ত কোন বাউন্ডারি না হাঁকিয়ে সাবধানী ব্যাটিং করেন মঈন ও রনি। তবে ১৭তম ওভারে বাউন্ডারির দেখা পেলেও শেষ ৩০ বলে আসে ৩০ রান। ১৭ ওভারে দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৬।

সেখান থেকে পরের ২ ওভারে স্কোরবোর্ডে আরও ২২ রান যোগ করে এই জুটি। ১৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দলটির পুঁজি দাঁড়ায় ১৪৮। শেষ ওভারের প্রথম বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন মঈন। ৩২ বলে করেন ৩৮ রান। এরপর শফিকুলের বাউন্সারে ২৭ বলে ১৯ রানে ফেরেন রনি। আরেক বাউন্সারে স্কুপ করতে গিয়ে ০ রানে ফেরেন শহিদুল। শেষ দুই বলে আসে মাত্র এক রান। ২টি করে উইকেট পান শফিকুল ও মুজিব। ১৫১ রানের পুঁজি পায় কুমিল্লা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ১৫১/৮ (২০ ওভার) (নারিন ৫৭, মঈন ৩৭) (মুজিব ২/২৭, শফিকুল ২/৩২)

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শিরোপা জিততে বরিশালের দরকার ১৫২ রান

Update Time : 01:44:45 pm, Friday, 18 February 2022

ক্রীড়া ডেস্ক : সুনিল নারিনের ঝড়ে যেন দিশেহারা ফরচুন বরিশাল। পাওয়ার প্লে’তে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়া এই ক্যারিবিয়ান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ ওভারে এনে দেন ৭৩ রানের পুঁজি। ২৩ বলে ৫৭ রানে আউট হলে নারিন আউট হলে প্রথম ইনিংসের চিত্র আবারও পাল্টে যায়। ৬৯ থেকে ৯৫ রানের মাঝে বিদায় নেন কুমিল্লার ৫ ব্যাটসম্যান। তারপরও মঈন আলী ও আবু হায়দারের দৃঢ়তায় বিপিএল ফাইনালে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ২ বারের চ্যাম্পিয়নরা।

টসে জিতে ব্যাটিং করতে নামা কুমিল্লাকে আসমান ছোঁয়া সূচনা এনে দেন নারিন। প্রথম ওভারে মুজিব উর রহমানের বিপক্ষে এই ক্যারিবিয়ান নেন ১৮ রান। দ্বিতীয় ওভারে শফিকুল ইসলামের বিপক্ষে লিটন মাত্র ২ রান নিলেও নারিনের ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান।

২ ওভারে ৩৩ রান স্কোরবোর্ডে তুলেও থামেননি নারিন। বোলিংয়ে এসেন ৪ রানে লিটনকে বোল্ড করে সাকিব দেন মাত্র ৩ রান। আর চতুর্থ ওভারে আসে ৬ রান। তবে ইনিংসের ৫ নম্বর ওভারে সাকিবের বিপক্ষে ১৬ রান নেয়ার সঙ্গে ২১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন নারিন।

পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে মেহেদি হাসান রানাকে প্রথম বলে ছক্কা হাঁকালেও দ্বিতীয় বলে ২৩ বলে ৫৭ রানে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন তিনি। নারিন ফেরার পরই যেন পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। রান আউটের ফাঁদে পড়ে ৮ রানে বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়।

৭ ওভার শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান স্কোরবোর্ডে থাকা দলটিকে বেশিদূর টানতে পারেননি ফাফ ডু প্লেসি। মুজিবকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৪ রানে আউট হন তিনি। এরপর দলীয় ৯৪ ও ৯৬ রানে ইমরুল ও আরিফুলকেও বিদায় করেন মুজিব ও ব্রাভো।

১০০’র আগে ৬ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে উল্টো চাপে পড়ে কুমিল্লা। ১২ থেকে ওভার পর্যন্ত কোন বাউন্ডারি না হাঁকিয়ে সাবধানী ব্যাটিং করেন মঈন ও রনি। তবে ১৭তম ওভারে বাউন্ডারির দেখা পেলেও শেষ ৩০ বলে আসে ৩০ রান। ১৭ ওভারে দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৬।

সেখান থেকে পরের ২ ওভারে স্কোরবোর্ডে আরও ২২ রান যোগ করে এই জুটি। ১৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দলটির পুঁজি দাঁড়ায় ১৪৮। শেষ ওভারের প্রথম বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন মঈন। ৩২ বলে করেন ৩৮ রান। এরপর শফিকুলের বাউন্সারে ২৭ বলে ১৯ রানে ফেরেন রনি। আরেক বাউন্সারে স্কুপ করতে গিয়ে ০ রানে ফেরেন শহিদুল। শেষ দুই বলে আসে মাত্র এক রান। ২টি করে উইকেট পান শফিকুল ও মুজিব। ১৫১ রানের পুঁজি পায় কুমিল্লা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ১৫১/৮ (২০ ওভার) (নারিন ৫৭, মঈন ৩৭) (মুজিব ২/২৭, শফিকুল ২/৩২)