6:33 am, Wednesday, 18 February 2026

শ্রীমঙ্গলে দুর্বৃত্তের ধানের চারার সাথে এ কেমন নিষ্টুরতা

স্টাফ রিপোটার: শ্রীমঙ্গলে আগাছানাশক ওষুধ ছিটিয়ে ১ কেয়ার (বিঘা) জমির বীজতলা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইছবপুর গ্রামের হাইল হাওর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গত বুধবার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ইছবপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহজাহান মিয়া ও মালেকা বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হাওরের প্রান্তিক কৃষক প্রশান্ত দেব, সাধন শুল্ক বৈদ্য, কনা বাদ্যকর, জগাই বাদ্যকর ও জয়রাম কাহার গত ৩ মাস আগে এসব জমিতে বীজতলা তৈরি করেন। এরই মধ্যে বীজতলা চারায় পরিণত হয়েছে। এ সময় কে বা কারা আগাছানাশক ওষুধ ছিটিয়ে জমির সব বীজতলা পুড়িয়ে ফেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন, তাদের কষ্টের বীজতলা নষ্ট হওয়ায় তারা এখন পথে বসে যেতে হবে। ধার কর্জ করে বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। এটা বিক্রি করে সংসারে যোগান দেওয়ার কথা ছিল।
কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এক কেয়ার জমির বীজতলা দিয়ে ৬০ কেয়ার জমিতে ধানের চারা রোপণ করা যেত। আমরা বীজতলা বাঁচাতে আবারো ওষুধ ছিটাবো। চেষ্টা করছি যতটা সম্ভব বীজতলা রক্ষা করার।
ইউপির সদস্য শাহজাহান মিয়া বলেন, এটা যারাই করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। ফসলি জমির সঙ্গে শত্রুতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আরেক ইউপি সদস্য মালেকা বেগম ক্ষতিগ্রস্ত গরিব কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য কৃষি বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা বলেছেন, গত নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীর লোকজন শত্রুতাবসত দরিদ্র এসব কৃষকদের জমির বীজতলা নষ্ট করে থাকতে পারে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শ্রীমঙ্গলে দুর্বৃত্তের ধানের চারার সাথে এ কেমন নিষ্টুরতা

Update Time : 11:47:55 am, Thursday, 13 January 2022

স্টাফ রিপোটার: শ্রীমঙ্গলে আগাছানাশক ওষুধ ছিটিয়ে ১ কেয়ার (বিঘা) জমির বীজতলা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইছবপুর গ্রামের হাইল হাওর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গত বুধবার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ইছবপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহজাহান মিয়া ও মালেকা বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হাওরের প্রান্তিক কৃষক প্রশান্ত দেব, সাধন শুল্ক বৈদ্য, কনা বাদ্যকর, জগাই বাদ্যকর ও জয়রাম কাহার গত ৩ মাস আগে এসব জমিতে বীজতলা তৈরি করেন। এরই মধ্যে বীজতলা চারায় পরিণত হয়েছে। এ সময় কে বা কারা আগাছানাশক ওষুধ ছিটিয়ে জমির সব বীজতলা পুড়িয়ে ফেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন, তাদের কষ্টের বীজতলা নষ্ট হওয়ায় তারা এখন পথে বসে যেতে হবে। ধার কর্জ করে বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। এটা বিক্রি করে সংসারে যোগান দেওয়ার কথা ছিল।
কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এক কেয়ার জমির বীজতলা দিয়ে ৬০ কেয়ার জমিতে ধানের চারা রোপণ করা যেত। আমরা বীজতলা বাঁচাতে আবারো ওষুধ ছিটাবো। চেষ্টা করছি যতটা সম্ভব বীজতলা রক্ষা করার।
ইউপির সদস্য শাহজাহান মিয়া বলেন, এটা যারাই করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। ফসলি জমির সঙ্গে শত্রুতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আরেক ইউপি সদস্য মালেকা বেগম ক্ষতিগ্রস্ত গরিব কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য কৃষি বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা বলেছেন, গত নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীর লোকজন শত্রুতাবসত দরিদ্র এসব কৃষকদের জমির বীজতলা নষ্ট করে থাকতে পারে।