6:52 am, Sunday, 26 July 2026

ওসমানীনগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট

ওসমানীনগর প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে রাজনৈতিক বিরোধ ও চাঁদা দাবির জের ধরে মোঃ জিলু মিয়া (৪১) নামের এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। উপজেলার থানাগাঁও গ্রামে গত ২ অক্টোবর রাতে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে টানা পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে মুক্ত হয়ে জিলু মিয়া বাদী হয়ে সিলেটের বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬ জনকে প্রধান অভিযুক্ত করে একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে স্থানীয় জাবেদ আহমেদ আম্বিয়া, আলতাফুর রহমান সুহেল এবং এম.এ. হামিদের নেতৃত্বে ২২–২৫ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে জিলু মিয়ার বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কাঠের লাঠি ও কাঠের বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।এ সময় পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে আগে দাবীকৃত ২০ লাখ টাকা চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলে, প্রাণ রক্ষার্থে ভিকটিমের পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে নগদ ২ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রতিবেশীরা জিলু মিয়াকে উদ্ধার করে ওসমানীনগর ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। টানা পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৭ অক্টোবর তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেপ্তারে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল আসামি জাবেদ আহমেদ আম্বিয়া, আলতাফুর রহমান সুহেল এবং এম.এ. হামিদকে প্রকাশ্যে এলাকায় চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

বিচারবহির্ভূত হত্যা এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়: আইনমন্ত্রী

ওসমানীনগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট

Update Time : 04:42:00 pm, Friday, 13 October 2023

ওসমানীনগর প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে রাজনৈতিক বিরোধ ও চাঁদা দাবির জের ধরে মোঃ জিলু মিয়া (৪১) নামের এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। উপজেলার থানাগাঁও গ্রামে গত ২ অক্টোবর রাতে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে টানা পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে মুক্ত হয়ে জিলু মিয়া বাদী হয়ে সিলেটের বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬ জনকে প্রধান অভিযুক্ত করে একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে স্থানীয় জাবেদ আহমেদ আম্বিয়া, আলতাফুর রহমান সুহেল এবং এম.এ. হামিদের নেতৃত্বে ২২–২৫ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে জিলু মিয়ার বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কাঠের লাঠি ও কাঠের বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।এ সময় পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে আগে দাবীকৃত ২০ লাখ টাকা চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলে, প্রাণ রক্ষার্থে ভিকটিমের পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে নগদ ২ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রতিবেশীরা জিলু মিয়াকে উদ্ধার করে ওসমানীনগর ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। টানা পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৭ অক্টোবর তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেপ্তারে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল আসামি জাবেদ আহমেদ আম্বিয়া, আলতাফুর রহমান সুহেল এবং এম.এ. হামিদকে প্রকাশ্যে এলাকায় চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।