12:27 am, Tuesday, 9 June 2026

কমলগঞ্জে আমন চাষে কৃষকের ফসলহানিরও আশঙ্কা

জয়নাল আবেদীন: কমলগঞ্জে বর্ষার ভর মৌসুমেও অল্প বৃষ্টির কারণে আমন চাষাবাদের কৃষকরা ফসলহানিরও আশঙ্কা করছেন। আশানুরূপ বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের ভোগান্তিতে পড়ছেন। কৃষকদের সাথে কথা বললে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। শমশেরনগর, পতনউষার, আদমপুরসহ কয়েখটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ কেউ হালচাষ করলেও জমিতে পর্যাপ্ত পানি নেই। কারো জমিতে আমনের চারা রোপন করলেও জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। আশানুরূপ বৃষ্টিপাতের আশায় দিন কাটছেন অনেকেই। ফলে আমন চাষাবাদে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। আবহাওয়ার তারতম্যজনিত কারণে এমন প্রভাব পড়ছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা।

কৃষক ও রাজনৈতিক নেতা দুরুদ আলী ও জমশেদ আলী বলেন, পঞ্জিকার নিয়মে এখন বর্ষাকাল। তবে প্রকৃতিতে বর্ষার যে রূপ তা এখনও দেখা যায়নি। নদী-নালা, পুকুর, জলাশয়ে এখনও পানি নিচে। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

পতনউষার ইউনিয়নের পতনঊষারের কৃষক ও সমাজকর্মী তোয়াবুর রহমান। তিনি বলেন, বর্ষার ভর মৌসুম। অথচ শ্রাবণ মাসেও আশানুরূপ বৃষ্টিপাত নেই। এটি আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব। ফলে আমনের চারা রোপনে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অল্প করে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, তাতে চাষাবাদ উপযোগী পানি পাওয়া যাচ্ছে না। হাওর, নদী-নালা ও খাল-বিলের নিচে পানি। তাকিয়ে আছি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের জন্য।

শমশেরনগরের লাঘাটাছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি: (পাবসস) এর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা এখনও জমিতে ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। অনেকেই বৃষ্টিপাতের আশায় চেয়ে রয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, বর্ষাকালে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়া উচিত, সে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। তবে যেটুকু বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতেও কৃষকরা আমন চাষাবাদ করতে পারছেন। এখনও সময় আছে যেকোন সময়ে ভারী বৃষ্টিপাত হলেই কোন সমস্যা থাকবে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার রবিরবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে ময়লার ভাগাড়- বাড়ছে স্বাস্থ্যেরঝুঁকি

কমলগঞ্জে আমন চাষে কৃষকের ফসলহানিরও আশঙ্কা

Update Time : 11:28:04 am, Monday, 2 August 2021

জয়নাল আবেদীন: কমলগঞ্জে বর্ষার ভর মৌসুমেও অল্প বৃষ্টির কারণে আমন চাষাবাদের কৃষকরা ফসলহানিরও আশঙ্কা করছেন। আশানুরূপ বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের ভোগান্তিতে পড়ছেন। কৃষকদের সাথে কথা বললে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। শমশেরনগর, পতনউষার, আদমপুরসহ কয়েখটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ কেউ হালচাষ করলেও জমিতে পর্যাপ্ত পানি নেই। কারো জমিতে আমনের চারা রোপন করলেও জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। আশানুরূপ বৃষ্টিপাতের আশায় দিন কাটছেন অনেকেই। ফলে আমন চাষাবাদে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। আবহাওয়ার তারতম্যজনিত কারণে এমন প্রভাব পড়ছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা।

কৃষক ও রাজনৈতিক নেতা দুরুদ আলী ও জমশেদ আলী বলেন, পঞ্জিকার নিয়মে এখন বর্ষাকাল। তবে প্রকৃতিতে বর্ষার যে রূপ তা এখনও দেখা যায়নি। নদী-নালা, পুকুর, জলাশয়ে এখনও পানি নিচে। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

পতনউষার ইউনিয়নের পতনঊষারের কৃষক ও সমাজকর্মী তোয়াবুর রহমান। তিনি বলেন, বর্ষার ভর মৌসুম। অথচ শ্রাবণ মাসেও আশানুরূপ বৃষ্টিপাত নেই। এটি আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব। ফলে আমনের চারা রোপনে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অল্প করে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, তাতে চাষাবাদ উপযোগী পানি পাওয়া যাচ্ছে না। হাওর, নদী-নালা ও খাল-বিলের নিচে পানি। তাকিয়ে আছি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের জন্য।

শমশেরনগরের লাঘাটাছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি: (পাবসস) এর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা এখনও জমিতে ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। অনেকেই বৃষ্টিপাতের আশায় চেয়ে রয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, বর্ষাকালে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়া উচিত, সে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। তবে যেটুকু বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতেও কৃষকরা আমন চাষাবাদ করতে পারছেন। এখনও সময় আছে যেকোন সময়ে ভারী বৃষ্টিপাত হলেই কোন সমস্যা থাকবে না।