6:12 pm, Thursday, 20 August 2026

কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে: কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : বর্ষা মৌসুমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ‘এক কেজি করলা ফলাইতে কয় টাকা খরচ হয়, একটু দেখেন না। কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে!’

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে কার্গো ভিলেজ, কোল্ড স্টোরেজ ও কুল রুমসহ বিমানবন্দরে বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকদিন বাজার করি এবং ব্যাগ নিয়ে। মহাখালী বাজার আমার পরিচিত বাজার।

আমি প্রত্যেক দিন বাজারে যাই। আমার গাড়িতে একটা ব্যাগ সবসময় থাকে।
বর্তমান সময়ে কৃষিপণ্যের দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে কৃষিপণ্যের যে দাম আছে, এটা বৃষ্টির সিজন। এই সিজনে বিশেষ করে ভেজিটেবল উৎপাদন করা খুব সহজ কাজ না।

পানি জমে গেলে গাছ মরে যায়। তার পর উৎপাদন খরচটাও একটু বেশি থাকে।
কাঁচামরিচের উদাহরণ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, শেড বানাতে হয়, এটি ব্যয়বহুল।

কৃষিপণ্যের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘এক কেজি করলা ফলাইতে কয় টাকা খরচ হয়, একটু দেখেন না। কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে!’

কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের উৎপাদন এখনো সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এ কারণে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন ও চাহিদার হিসাব আরও নির্ভুলভাবে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমি যদি জানি আমার এই জেলায়, এই উপজেলায় ভেজিটেবলের চাহিদা আছে, সেই অনুযায়ী ওই এলাকার কৃষককে যদি উদ্বুদ্ধ করতে পারি—ভাই, তুমি এটা ফলাও, তোমার উপজেলায় এটা বিক্রি হবে। এর কিন্তু ক্যারিং কস্ট নাই।’

কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে মিনি কোল্ড স্টোরেজের ধারণা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষক যেখানে ফসল উৎপাদন করবেন, সেখান থেকে কাছাকাছি মিনি কোল্ড স্টোরেজে তা সংরক্ষণ করা গেলে পরিবহন ব্যয় কমবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক যেখানে ফলাবে, তার গ্রামে এসে কাঁধে ভারে, মাথায় নিয়ে কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে রাখবে। কোনো ক্যারিং কস্ট নাই। তাহলে তার কস্টিংটা কমে যাবে। এই কনসেপ্ট নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে সেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীতে  র্বণাঢ্য র‌্যালী ও সমবাবেশ এবং বৃক্ষরেপান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে: কৃষিমন্ত্রী

Update Time : 10:23:12 am, Tuesday, 18 August 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : বর্ষা মৌসুমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ‘এক কেজি করলা ফলাইতে কয় টাকা খরচ হয়, একটু দেখেন না। কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে!’

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে কার্গো ভিলেজ, কোল্ড স্টোরেজ ও কুল রুমসহ বিমানবন্দরে বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকদিন বাজার করি এবং ব্যাগ নিয়ে। মহাখালী বাজার আমার পরিচিত বাজার।

আমি প্রত্যেক দিন বাজারে যাই। আমার গাড়িতে একটা ব্যাগ সবসময় থাকে।
বর্তমান সময়ে কৃষিপণ্যের দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে কৃষিপণ্যের যে দাম আছে, এটা বৃষ্টির সিজন। এই সিজনে বিশেষ করে ভেজিটেবল উৎপাদন করা খুব সহজ কাজ না।

পানি জমে গেলে গাছ মরে যায়। তার পর উৎপাদন খরচটাও একটু বেশি থাকে।
কাঁচামরিচের উদাহরণ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, শেড বানাতে হয়, এটি ব্যয়বহুল।

কৃষিপণ্যের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘এক কেজি করলা ফলাইতে কয় টাকা খরচ হয়, একটু দেখেন না। কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে!’

কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের উৎপাদন এখনো সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এ কারণে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন ও চাহিদার হিসাব আরও নির্ভুলভাবে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমি যদি জানি আমার এই জেলায়, এই উপজেলায় ভেজিটেবলের চাহিদা আছে, সেই অনুযায়ী ওই এলাকার কৃষককে যদি উদ্বুদ্ধ করতে পারি—ভাই, তুমি এটা ফলাও, তোমার উপজেলায় এটা বিক্রি হবে। এর কিন্তু ক্যারিং কস্ট নাই।’

কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে মিনি কোল্ড স্টোরেজের ধারণা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষক যেখানে ফসল উৎপাদন করবেন, সেখান থেকে কাছাকাছি মিনি কোল্ড স্টোরেজে তা সংরক্ষণ করা গেলে পরিবহন ব্যয় কমবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক যেখানে ফলাবে, তার গ্রামে এসে কাঁধে ভারে, মাথায় নিয়ে কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে রাখবে। কোনো ক্যারিং কস্ট নাই। তাহলে তার কস্টিংটা কমে যাবে। এই কনসেপ্ট নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।’