12:38 am, Monday, 8 June 2026

দুদকের মামলায় স্ত্রীর সঙ্গে ফাঁসলেন কবির বিন আনোয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় স্ত্রী তৌফিকা আহমেদের সঙ্গে ফাঁসলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক খাইরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, প্রথম আসামি তৌফিকা আহমেদ ও তার স্বামী কবির বিন আনোয়ার একে অপরের সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ চার কোটি ৫৩ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৮ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

তাদের মোট ছয়টি ব্যাংক হিসাবে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৭ টাকা এবং ২২ হাজার ২৮০ ডলারের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরে করেছেন।

এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা; মানিলন্ডারিং, প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তাদের নামে মামলা করেছে দুদক।

তদন্তকালে আরও কোনো জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া গেলে তা আইনামলে আনা হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ডেঙ্গু পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুদকের মামলায় স্ত্রীর সঙ্গে ফাঁসলেন কবির বিন আনোয়ার

Update Time : 07:53:12 am, Monday, 20 January 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় স্ত্রী তৌফিকা আহমেদের সঙ্গে ফাঁসলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক খাইরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, প্রথম আসামি তৌফিকা আহমেদ ও তার স্বামী কবির বিন আনোয়ার একে অপরের সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ চার কোটি ৫৩ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৮ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

তাদের মোট ছয়টি ব্যাংক হিসাবে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৭ টাকা এবং ২২ হাজার ২৮০ ডলারের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরে করেছেন।

এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা; মানিলন্ডারিং, প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তাদের নামে মামলা করেছে দুদক।

তদন্তকালে আরও কোনো জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া গেলে তা আইনামলে আনা হবে।