2:09 pm, Thursday, 23 April 2026

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া রিটটি দায়ের করেন। পরে তিনি বলেন, বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছে। রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

রিটের বিষয়ে অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় বর্তমানে দুই বছরের সাজার বিধান রয়েছে। এছাড়া নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও দুই বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, এই সাজা অপ্রতুল। এ কারণে অনেকে মহান আল্লাহ, আমাদের নবীকে নিয়ে কটূক্তি করার সাহস পায়।

তিনি আরও বলেন, রিটে আমরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন পাস করার নির্দেশনা চেয়েছি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হলে এই অপরাধ করতে কেউ সাহস পাবে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

‘স্মার্ট কৃষি’ গড়তে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট

Update Time : 12:45:37 pm, Sunday, 30 November 2025

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া রিটটি দায়ের করেন। পরে তিনি বলেন, বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছে। রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

রিটের বিষয়ে অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় বর্তমানে দুই বছরের সাজার বিধান রয়েছে। এছাড়া নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও দুই বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, এই সাজা অপ্রতুল। এ কারণে অনেকে মহান আল্লাহ, আমাদের নবীকে নিয়ে কটূক্তি করার সাহস পায়।

তিনি আরও বলেন, রিটে আমরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন পাস করার নির্দেশনা চেয়েছি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হলে এই অপরাধ করতে কেউ সাহস পাবে না।