4:22 am, Saturday, 22 August 2026

নিলামের ৩য় দিনে শ্রীমঙ্গলে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার চা

ডেস্ক রিপোর্ট : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রে ২০২৩-২৪ নিলাম বর্ষের তৃতীয় চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ের অনাবৃষ্টি, খরার প্রভাবে চায়ের বিক্রি কমেছে এবারের নিলাম আসরে।

 

বুধবার (১৭ মে) শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের অস্থায়ী অফিস জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সকাল এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল চলতি বছরের শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের তৃতীয় চা নিলাম।

 

শ্রীমঙ্গলের পাঁচটি ব্রোকারস হাউস মিলিয়ে প্রায় ১৫/২০ জন বায়ার (ক্রেতা) নিলামে অংশ নেন। তবে আজকের নিলামে বায়ারদের সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল।

 

নিলামে ৭৪ হাজার ৬৮০ দশমিক ৪ কেজি চা পাতা নিলামে উঠে, এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর এভারেজ গড় মূল্য ছিল আনুমানিক প্রায় ২০০ টাকা।

 

এর আগে গত ২০২২-২৩ নিলাম বর্ষের দ্বিতীয় চা নিলামে ৬৮ হাজার ৭৭৮ দশমিক ৪৫ কেজি চা পাতা নিলামে উঠলেও বিক্রি হয় ২৫ হাজার ৪৫ দশমিক ৭৫ কেজি, যার মূল্য ৫৮ লাখ ৪ হাজার ৮৫৩ দশমিক ৭৫ টাকা। গড় বিক্রয় মূল্য ছিল প্রতি কেজি ২৩১ দশমিক ৭৭ টাকা।

 

শ্রীমঙ্গল ব্রোকার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ বলেন, আজকে প্রায় ৭৫ হাজার কেজির মতো চা অপারিং (উঠানো) হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে চায়ের কোয়ালিটি তেমন ভালো হয়নি। বায়াররাও অনেক কম আসছে। তাছাড়া চায়ের দাম আগের তুলনায় অনেক কমছে। টাকার সংখ্যায় আনুমানিক প্রায় দেড় কোটি টাকার মতো চা অপারিং হয়েছে।

 

বাংলাদেশীয় চা সংসদের সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান জিএম শিবলী জানান, চলতি মে মাসে বৃষ্টি কম হওয়ায় চায়ের নতুন কুঁড়ি আসছে না। শুধু একবার বৃষ্টি হয়েছিল গত এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখ। নতুন কুঁড়ি না আসায় চা উৎপাদন ভালো হচ্ছে না। তাছাড়া চায়ের কোয়ালিটিও ভালো হচ্ছে না। আজ বৃষ্টি হচ্ছে। আশা করি, কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে চায়ের নতুন কুঁড়ি আসবে, এবং চায়ের উৎপাদন ভালো হবে। ’

 

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ‘২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রে মোট ২৩টি চা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে ১৮টি এবং আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ৫টি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সপ্তাহের মাঝে শুধুমাত্র বুধবার ভিন্ন ভিন্ন তারিখে নিলামের মাধ্যমে চা কেনাবেচা হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে সেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীতে  র্বণাঢ্য র‌্যালী ও সমবাবেশ এবং বৃক্ষরেপান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নিলামের ৩য় দিনে শ্রীমঙ্গলে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার চা

Update Time : 10:35:19 am, Thursday, 18 May 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রে ২০২৩-২৪ নিলাম বর্ষের তৃতীয় চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ের অনাবৃষ্টি, খরার প্রভাবে চায়ের বিক্রি কমেছে এবারের নিলাম আসরে।

 

বুধবার (১৭ মে) শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের অস্থায়ী অফিস জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সকাল এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল চলতি বছরের শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের তৃতীয় চা নিলাম।

 

শ্রীমঙ্গলের পাঁচটি ব্রোকারস হাউস মিলিয়ে প্রায় ১৫/২০ জন বায়ার (ক্রেতা) নিলামে অংশ নেন। তবে আজকের নিলামে বায়ারদের সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল।

 

নিলামে ৭৪ হাজার ৬৮০ দশমিক ৪ কেজি চা পাতা নিলামে উঠে, এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর এভারেজ গড় মূল্য ছিল আনুমানিক প্রায় ২০০ টাকা।

 

এর আগে গত ২০২২-২৩ নিলাম বর্ষের দ্বিতীয় চা নিলামে ৬৮ হাজার ৭৭৮ দশমিক ৪৫ কেজি চা পাতা নিলামে উঠলেও বিক্রি হয় ২৫ হাজার ৪৫ দশমিক ৭৫ কেজি, যার মূল্য ৫৮ লাখ ৪ হাজার ৮৫৩ দশমিক ৭৫ টাকা। গড় বিক্রয় মূল্য ছিল প্রতি কেজি ২৩১ দশমিক ৭৭ টাকা।

 

শ্রীমঙ্গল ব্রোকার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ বলেন, আজকে প্রায় ৭৫ হাজার কেজির মতো চা অপারিং (উঠানো) হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে চায়ের কোয়ালিটি তেমন ভালো হয়নি। বায়াররাও অনেক কম আসছে। তাছাড়া চায়ের দাম আগের তুলনায় অনেক কমছে। টাকার সংখ্যায় আনুমানিক প্রায় দেড় কোটি টাকার মতো চা অপারিং হয়েছে।

 

বাংলাদেশীয় চা সংসদের সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান জিএম শিবলী জানান, চলতি মে মাসে বৃষ্টি কম হওয়ায় চায়ের নতুন কুঁড়ি আসছে না। শুধু একবার বৃষ্টি হয়েছিল গত এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখ। নতুন কুঁড়ি না আসায় চা উৎপাদন ভালো হচ্ছে না। তাছাড়া চায়ের কোয়ালিটিও ভালো হচ্ছে না। আজ বৃষ্টি হচ্ছে। আশা করি, কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে চায়ের নতুন কুঁড়ি আসবে, এবং চায়ের উৎপাদন ভালো হবে। ’

 

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ‘২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রে মোট ২৩টি চা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে ১৮টি এবং আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ৫টি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সপ্তাহের মাঝে শুধুমাত্র বুধবার ভিন্ন ভিন্ন তারিখে নিলামের মাধ্যমে চা কেনাবেচা হবে।