ডেস্ক রিপোর্ট : জাতীয় দলের তারকা শুটার কামরুন নাহার কলির জন্য এল স্বস্তির খবর। অবশেষে তার ওপর থেকে বহিষ্কারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন।
তবে এই ফেরাটা মোটেও নিষ্কণ্টক নয়, বরং তাকে ফিরতে হচ্ছে একগাদা কঠিন শর্ত মেনে। ফেডারেশনের দেওয়া এসব কড়া নিয়মের প্রতি লিখিত মুচলেকা বা অঙ্গীকারনামা জমা দিলেই কেবল পুনরায় শুটিং ক্যাম্পে প্রবেশের সুযোগ পাবেন তিনি।
শুটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসের সই করা সেই চিঠিতে কলির জন্য সবচেয়ে বড় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে ফেডারেশনের পূর্বানুমতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমে কোনোভাবেই মুখ খুলতে পারবেন না এই শুটার।
এমনকি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও ফেডারেশনের কোনো সিদ্ধান্ত, সতীর্থ খেলোয়াড় কিংবা কোচদের নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য বা পোস্ট দেওয়া থেকে তাকে পুরোপুরি বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ক্যাম্পের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং কোচের আচরণবিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফেডারেশন সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা উঠলেও আপাতত আগামী তিন মাস কলিকে কঠোর নজরদারিতে বা ‘অবজারভেশন’ এ রাখা হবে। এই তিন মাসের মধ্যে তার আচরণে সামান্যতম নিয়মভঙ্গের প্রমাণ মিললে কোনো ধরনের শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।
চিঠিতে আরও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, তিন মাসের এই পর্যবেক্ষণ মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি তিনি উল্লেখিত শর্তগুলোর কোনোটি লঙ্ঘন করেন, তাহলেও তাৎক্ষণিকভাবে একই ধরনের কঠোর শাস্তি নেমে আসবে তার ওপর।
সব মিলিয়ে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলেও কামরুন নাহার কলিকে এখন থেকে পা ফেলতে হবে অত্যন্ত মেপে মেপে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



























