5:06 am, Thursday, 21 May 2026

পাকিস্তানকে ‘ডাবল হোয়াইটওয়াশ’ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

ডেস্ক রিপোর্ট :: কাইল মায়ার্সের মহাকাব্যিক ২১০ রানের ইনিংসের স্মৃতি ফিরে এসেছিল সিলেটে। ২০২১ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রায় হারতে বসা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

৩৯৫ রানের অবিশ্বাস্য রানতাড়ায় সেই ম্যাচের নায়ক ছিলেন মায়ার্স। সিলেট টেস্টেও কি তবে সেদিকেই এগোচ্ছিল গল্পটা? মোহাম্মদ রিজওয়ান কি হতে যাচ্ছিলেন নতুন কাইল মায়ার্স? শেষ দিনের সকাল বেলায় থেকে এমন কিছুই ঘুরপাক খাচ্ছিল!
৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান যখন লড়াই জমিয়ে তুলেছে, তখন ম্যাচটা ধীরে ধীরে বাংলাদেশের হাত ফসকে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল।

বিশেষ করে রিজওয়ান ছিলেন অবিচল। তার ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তান দেখছিল ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন।

কিন্তু সব বদলে দিলেন তাইজুল ইসলাম! উইকেটে জমে যাওয়া সাজিদ খানকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আর সেটিই যেন খুলে দেয় পাকিস্তানের পতনের দরজা।

মুহূর্তেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে শেষ দিকের ব্যাটিং লাইনআপ। যে দল ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছিল, সেই দলটি সাজিদেরে ফেরার পর আর কোন রানই তুলতে পারলো না পাকিস্তান। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয় ৭৮ রানের ব্যবধানে।
ঢাকার পর সিলেটেও পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজে পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে বিরল এক কীর্তিও গড়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার পর মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে পাকিস্তানকে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার রেকর্ড গড়লো তারা। দেশের মাটিতেও এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়।

৪৩৭ রানের অসম্ভবপ্রায় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে দরকার ছিল আরও ১২১ রান, হাতে ছিল মাত্র ৩ উইকেট। রাতভর বৃষ্টির পর সকালে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও মাত্র ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হয় খেলা।

শুরুর সময়টা ছিল একেবারেই হতাশাজনক। নাহিদ রানার বলে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি হলেও উইকেট ফেলা যাচ্ছিল না। নাহিদ চাপ তৈরি করলেও তাসকিন আজও ছন্দছাড়া বোলিং করছিলেন। তার বলেই স্কোরবোর্ডে দ্রুত রান উঠছিল। পাশাপাশি মিসফিল্ডিং তো ছিলই। ৮৭ ওভারে খেলা শুরুর পর দুই পেসার দুই প্রান্ত থেকে বোলিং করছিলেন।

৯১তম ওভারে বোলিংয়ে আনা হয় তাইজুলকে। এসেই চাপ প্রয়োগ করেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার। এর মধ্যেই নাহিদ দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেন। এই ডানহাতি ফাস্ট বোলারের উঁচুতে ওঠা বল খেলতে গিয়ে টপএজ হন সাজিদ। লিটন ও শর্ট লেগে থাকা তাইজুল দুজনই ক্যাচের জন্য ছুটেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউই পৌঁছাতে পারেননি। লিটন চিৎকার করে তাইজুলকে বলছিলেন বলটার পেছনে যেতে, আর তাইজুল মনে করেছিলেন লিটনই হয়তো ক্যাচটা নেবেন!

এমন সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার পর দুই প্রান্ত থেকে নাহিদ ও তাইজুল চাপ বাড়াতে থাকেন। এই সময় অধিনায়ক শান্তর ব্যথা পাওয়ায় কিছুক্ষণের বিরতি নেওয়া হয়। এই সময়টাতেই মোমেন্টাম চলে আসে বাংলাদেশের পক্ষে!

ম্যাচের ৯৬তম ওভারে আসে সাফল্য। তাইজুলের করা অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে বেরিয়ে যাওয়া বল পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন সাজিদ। পুরোপুরি বলের লাইনে যেতে পারেননি। তাতেই ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে। ভাঙে ৭৪ বলে ৫৪ রানের ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি!

এরপর প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেই সাফল্য পান শরিফুল ইসলাম। এক প্রান্ত আগলে রাখা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে বিদায় করে জয়ের পথটা নিশ্চিত করে ফেলেন এই পেসার। শরিফুলের প্রথম বলেই অফ স্টাম্পের বাইরের বল জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যাট চালান রিজওয়ান। গালিতে চমৎকার ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হয়ে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না পাকিস্তানের এই ব্যাটারের। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনেক কষ্ট করে ধীরপায়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তিনি। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে বিদায় নেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

পরের ওভারেই তাইজুল খুররাম শাহজাদকে তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে ফেলেন। তাইজুলকে ছক্কা মেরে ব্যবধান কমাতে চেয়েছিলেন খুররাম শাহজাদ। কিন্তু ওয়াইড লং-অনে চমৎকার ক্যাচ নিয়ে তানজিদ হাসান সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন খুররামকে। তাইজুলের ৬ উইকেটে দারুণ বোলিংয়ে জয় পায় বাংলাদেশ। ৯৭.২ ওভারে ৩৫৮ রানে থামে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্ট সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

ঢাকায় দাপুটে জয়ের পর সিলেটেও আধিপত্য বজায় রাখে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে পুরো ম্যাচজুড়েই নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাগতিকদের। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তানের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পর থেকেই ম্যাচটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

যদিও টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা ২৭৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে। টেলএন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরির দেখা পান লিটন। ১২৬ রানের ঝলমলে ইনিংসে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি।

এরপর বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ৪৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের সেঞ্চুরি এবং মাহমুদুল হাসান জয় ও লিটনের হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ তোলে ৩৯০ রান। তাতেই পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় বিশাল লক্ষ্য। যা ছুঁতে পারেনি সফরকারীরা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে মৌলভীবাজারে শোভাযাত্রা, ড্রিলিং ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানকে ‘ডাবল হোয়াইটওয়াশ’ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

Update Time : 08:13:40 am, Wednesday, 20 May 2026

ডেস্ক রিপোর্ট :: কাইল মায়ার্সের মহাকাব্যিক ২১০ রানের ইনিংসের স্মৃতি ফিরে এসেছিল সিলেটে। ২০২১ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রায় হারতে বসা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

৩৯৫ রানের অবিশ্বাস্য রানতাড়ায় সেই ম্যাচের নায়ক ছিলেন মায়ার্স। সিলেট টেস্টেও কি তবে সেদিকেই এগোচ্ছিল গল্পটা? মোহাম্মদ রিজওয়ান কি হতে যাচ্ছিলেন নতুন কাইল মায়ার্স? শেষ দিনের সকাল বেলায় থেকে এমন কিছুই ঘুরপাক খাচ্ছিল!
৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান যখন লড়াই জমিয়ে তুলেছে, তখন ম্যাচটা ধীরে ধীরে বাংলাদেশের হাত ফসকে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল।

বিশেষ করে রিজওয়ান ছিলেন অবিচল। তার ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তান দেখছিল ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন।

কিন্তু সব বদলে দিলেন তাইজুল ইসলাম! উইকেটে জমে যাওয়া সাজিদ খানকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আর সেটিই যেন খুলে দেয় পাকিস্তানের পতনের দরজা।

মুহূর্তেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে শেষ দিকের ব্যাটিং লাইনআপ। যে দল ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছিল, সেই দলটি সাজিদেরে ফেরার পর আর কোন রানই তুলতে পারলো না পাকিস্তান। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয় ৭৮ রানের ব্যবধানে।
ঢাকার পর সিলেটেও পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজে পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে বিরল এক কীর্তিও গড়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার পর মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে পাকিস্তানকে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার রেকর্ড গড়লো তারা। দেশের মাটিতেও এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়।

৪৩৭ রানের অসম্ভবপ্রায় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে দরকার ছিল আরও ১২১ রান, হাতে ছিল মাত্র ৩ উইকেট। রাতভর বৃষ্টির পর সকালে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও মাত্র ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হয় খেলা।

শুরুর সময়টা ছিল একেবারেই হতাশাজনক। নাহিদ রানার বলে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি হলেও উইকেট ফেলা যাচ্ছিল না। নাহিদ চাপ তৈরি করলেও তাসকিন আজও ছন্দছাড়া বোলিং করছিলেন। তার বলেই স্কোরবোর্ডে দ্রুত রান উঠছিল। পাশাপাশি মিসফিল্ডিং তো ছিলই। ৮৭ ওভারে খেলা শুরুর পর দুই পেসার দুই প্রান্ত থেকে বোলিং করছিলেন।

৯১তম ওভারে বোলিংয়ে আনা হয় তাইজুলকে। এসেই চাপ প্রয়োগ করেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার। এর মধ্যেই নাহিদ দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেন। এই ডানহাতি ফাস্ট বোলারের উঁচুতে ওঠা বল খেলতে গিয়ে টপএজ হন সাজিদ। লিটন ও শর্ট লেগে থাকা তাইজুল দুজনই ক্যাচের জন্য ছুটেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউই পৌঁছাতে পারেননি। লিটন চিৎকার করে তাইজুলকে বলছিলেন বলটার পেছনে যেতে, আর তাইজুল মনে করেছিলেন লিটনই হয়তো ক্যাচটা নেবেন!

এমন সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার পর দুই প্রান্ত থেকে নাহিদ ও তাইজুল চাপ বাড়াতে থাকেন। এই সময় অধিনায়ক শান্তর ব্যথা পাওয়ায় কিছুক্ষণের বিরতি নেওয়া হয়। এই সময়টাতেই মোমেন্টাম চলে আসে বাংলাদেশের পক্ষে!

ম্যাচের ৯৬তম ওভারে আসে সাফল্য। তাইজুলের করা অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে বেরিয়ে যাওয়া বল পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন সাজিদ। পুরোপুরি বলের লাইনে যেতে পারেননি। তাতেই ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে। ভাঙে ৭৪ বলে ৫৪ রানের ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি!

এরপর প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেই সাফল্য পান শরিফুল ইসলাম। এক প্রান্ত আগলে রাখা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে বিদায় করে জয়ের পথটা নিশ্চিত করে ফেলেন এই পেসার। শরিফুলের প্রথম বলেই অফ স্টাম্পের বাইরের বল জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যাট চালান রিজওয়ান। গালিতে চমৎকার ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হয়ে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না পাকিস্তানের এই ব্যাটারের। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনেক কষ্ট করে ধীরপায়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তিনি। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে বিদায় নেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

পরের ওভারেই তাইজুল খুররাম শাহজাদকে তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে ফেলেন। তাইজুলকে ছক্কা মেরে ব্যবধান কমাতে চেয়েছিলেন খুররাম শাহজাদ। কিন্তু ওয়াইড লং-অনে চমৎকার ক্যাচ নিয়ে তানজিদ হাসান সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন খুররামকে। তাইজুলের ৬ উইকেটে দারুণ বোলিংয়ে জয় পায় বাংলাদেশ। ৯৭.২ ওভারে ৩৫৮ রানে থামে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্ট সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

ঢাকায় দাপুটে জয়ের পর সিলেটেও আধিপত্য বজায় রাখে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে পুরো ম্যাচজুড়েই নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাগতিকদের। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তানের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পর থেকেই ম্যাচটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

যদিও টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা ২৭৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে। টেলএন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরির দেখা পান লিটন। ১২৬ রানের ঝলমলে ইনিংসে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি।

এরপর বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ৪৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের সেঞ্চুরি এবং মাহমুদুল হাসান জয় ও লিটনের হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ তোলে ৩৯০ রান। তাতেই পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় বিশাল লক্ষ্য। যা ছুঁতে পারেনি সফরকারীরা।