4:00 pm, Monday, 10 August 2026

বাণিজ্যমেলার অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগিতায় ঠিক করার প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: বাণিজ্যমেলায় কারা অংশ নেবে তা ঠিক করতে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর উপকণ্ঠ পূর্বাচল নতুন শহরের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মেলার প্রস্তুতি সারা বছর ধরে চলবে। জেলায় জেলায়, উপজেলায় উপজেলায়, বাছাই করা হবে– কে ফাইনাল মেলায় জায়গা পাবে। কার বুদ্ধি সব চাইতে বেশি। কৃষিতে, শিল্পে, হস্তশিল্পে– যত রকমের জিনিস আছে। আইসিটি, কত রকমের ব্যবসা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ব্যবসা। ঘরে বসে সফটওয়্যার বিক্রি করছে।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতা হবে। প্রত্যেক উপজেলা থেকে যারা বিজয়ী হবে, তারা আসবে। তাদের সব খরচ সরকার বহন করবে। কারণ তারা আমাদের পথপ্রদর্শক। তারা জাতিকে পথপ্রদর্শন করবে, দুনিয়াকে পথপ্রদর্শন করবে। আন্তর্জাতিক তরুণরা দেখতে আসবে– বাংলাদেশের তরুণরা কী করছে। বুদ্ধি নিতে আসবে, শিখতে আসবে, জয়েন্ট ভেঞ্চার করতে আসবে।

ইউনূস বলেন, মেলার উদ্দেশ্য যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া, খাপে খাপে মিলিয়ে দেওয়া। আমরা সেরকমভাবে তরুণ-তরুণীদের করতে পারি, বয়স্কদের করতে পারি।

তিনি বলেন, একজন মানুষ কখনো রিটায়ার্ড করতে পারে না। মৃত্যু পর্যন্ত সচল, সজাগ, কর্মঠ। তার আগে সে থামে না। কিন্তু আমরা একটা বয়স নির্ধারণ করেছি। এত বছর হলে তুমি রিটায়ার্ড। জোর করে একজন মানুষকে অচল করে দেওয়া, বিকল করে দেওয়া। এই শব্দটাকে ডিকশনারি থেকে বের করে দিতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি ৭ দেশ ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১ প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।

রপ্তানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতিবছর একটি পণ্য খাতকে ‘বর্ষপণ্য’ বা ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণকে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণনে উৎসাহিতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এবার ‘ফার্নিচার পণ্য’কে ২০২৫ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্বে) মো. আব্দুর রহিম খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

বাণিজ্যমেলার অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগিতায় ঠিক করার প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

Update Time : 11:32:21 am, Wednesday, 1 January 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: বাণিজ্যমেলায় কারা অংশ নেবে তা ঠিক করতে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর উপকণ্ঠ পূর্বাচল নতুন শহরের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মেলার প্রস্তুতি সারা বছর ধরে চলবে। জেলায় জেলায়, উপজেলায় উপজেলায়, বাছাই করা হবে– কে ফাইনাল মেলায় জায়গা পাবে। কার বুদ্ধি সব চাইতে বেশি। কৃষিতে, শিল্পে, হস্তশিল্পে– যত রকমের জিনিস আছে। আইসিটি, কত রকমের ব্যবসা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ব্যবসা। ঘরে বসে সফটওয়্যার বিক্রি করছে।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতা হবে। প্রত্যেক উপজেলা থেকে যারা বিজয়ী হবে, তারা আসবে। তাদের সব খরচ সরকার বহন করবে। কারণ তারা আমাদের পথপ্রদর্শক। তারা জাতিকে পথপ্রদর্শন করবে, দুনিয়াকে পথপ্রদর্শন করবে। আন্তর্জাতিক তরুণরা দেখতে আসবে– বাংলাদেশের তরুণরা কী করছে। বুদ্ধি নিতে আসবে, শিখতে আসবে, জয়েন্ট ভেঞ্চার করতে আসবে।

ইউনূস বলেন, মেলার উদ্দেশ্য যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া, খাপে খাপে মিলিয়ে দেওয়া। আমরা সেরকমভাবে তরুণ-তরুণীদের করতে পারি, বয়স্কদের করতে পারি।

তিনি বলেন, একজন মানুষ কখনো রিটায়ার্ড করতে পারে না। মৃত্যু পর্যন্ত সচল, সজাগ, কর্মঠ। তার আগে সে থামে না। কিন্তু আমরা একটা বয়স নির্ধারণ করেছি। এত বছর হলে তুমি রিটায়ার্ড। জোর করে একজন মানুষকে অচল করে দেওয়া, বিকল করে দেওয়া। এই শব্দটাকে ডিকশনারি থেকে বের করে দিতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি ৭ দেশ ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১ প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।

রপ্তানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতিবছর একটি পণ্য খাতকে ‘বর্ষপণ্য’ বা ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণকে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণনে উৎসাহিতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এবার ‘ফার্নিচার পণ্য’কে ২০২৫ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্বে) মো. আব্দুর রহিম খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।