5:11 pm, Wednesday, 6 May 2026

বিশেষ দিনে নেই কোনো উচ্ছ্বাস, কাঁদলেন অপি করিম

বিনোদন ডেস্ক :: নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাটক, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং উপস্থাপক হিসেবেও অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

পর্দায় অপি করিম মানেই একরাশ মুগ্ধতা।
শুক্রবার (০১ মে) এই অভিনেত্রীর জন্মদিন।

তবে জীবনের এই বিশেষ দিনে নেই কোনো আনন্দ বা উচ্ছ্বাস। বরং প্রিয়জন হারানোর শোক আর স্মৃতির ভারেই কাটছে তার দিনটি।
এ বিষয়ে অপি করিম জানান, এটি তার বাবাকে ছাড়া কাটানো পঞ্চম জন্মদিন। শুধু বাবাই নয়, স্বামীর পরিবারের অভিভাবকদেরও হারিয়েছেন তিনি।

ফলে জন্মদিন এলেই আনন্দের বদলে ফিরে আসে না-ফেরা মানুষদের স্মৃতি, ভর করে শূন্যতা।
অভিনেত্রীর জন্মদিনের সকাল শুরু হয়েছে বাবার কবর জিয়ারত করে। বছরের অন্য সময় নিজেকে সামলে রাখলেও এদিন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

অপি করিমের কথায়, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি কাঁদি না। কারণ, বাবা আমাদের কান্না একদমই সহ্য করতে পারতেন না। কিন্তু আজ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। যখনই মনে হয়েছে, বাবাকে আর কোনোদিন ফিরে পাব না-হাউমাউ করে কেঁদেছি।

তিনি আরও বলেন, এখন ব্যক্তিগত কোনো চাওয়ার চেয়ে প্রিয়জনদের সুস্থতাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের অনেক প্রিয় মানুষ ও অভিভাবক অসুস্থ। জন্মদিনে তাই সবচেয়ে বড় প্রার্থনা- পরিবারসহ সবার সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটু শান্তি।

শৈশবেই অভিনয়ে পথচলা শুরু করেন অপি করিম। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার পর মঞ্চনাটকেও নিয়মিত ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে লাক্স ফটোজেনিক প্রতিযোগিতা ১৯৯৯ সালে সেরা হয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান এ অভিনেত্রী।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সীমান্তে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

বিশেষ দিনে নেই কোনো উচ্ছ্বাস, কাঁদলেন অপি করিম

Update Time : 08:24:18 am, Saturday, 2 May 2026

বিনোদন ডেস্ক :: নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাটক, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং উপস্থাপক হিসেবেও অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

পর্দায় অপি করিম মানেই একরাশ মুগ্ধতা।
শুক্রবার (০১ মে) এই অভিনেত্রীর জন্মদিন।

তবে জীবনের এই বিশেষ দিনে নেই কোনো আনন্দ বা উচ্ছ্বাস। বরং প্রিয়জন হারানোর শোক আর স্মৃতির ভারেই কাটছে তার দিনটি।
এ বিষয়ে অপি করিম জানান, এটি তার বাবাকে ছাড়া কাটানো পঞ্চম জন্মদিন। শুধু বাবাই নয়, স্বামীর পরিবারের অভিভাবকদেরও হারিয়েছেন তিনি।

ফলে জন্মদিন এলেই আনন্দের বদলে ফিরে আসে না-ফেরা মানুষদের স্মৃতি, ভর করে শূন্যতা।
অভিনেত্রীর জন্মদিনের সকাল শুরু হয়েছে বাবার কবর জিয়ারত করে। বছরের অন্য সময় নিজেকে সামলে রাখলেও এদিন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

অপি করিমের কথায়, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি কাঁদি না। কারণ, বাবা আমাদের কান্না একদমই সহ্য করতে পারতেন না। কিন্তু আজ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। যখনই মনে হয়েছে, বাবাকে আর কোনোদিন ফিরে পাব না-হাউমাউ করে কেঁদেছি।

তিনি আরও বলেন, এখন ব্যক্তিগত কোনো চাওয়ার চেয়ে প্রিয়জনদের সুস্থতাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের অনেক প্রিয় মানুষ ও অভিভাবক অসুস্থ। জন্মদিনে তাই সবচেয়ে বড় প্রার্থনা- পরিবারসহ সবার সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটু শান্তি।

শৈশবেই অভিনয়ে পথচলা শুরু করেন অপি করিম। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার পর মঞ্চনাটকেও নিয়মিত ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে লাক্স ফটোজেনিক প্রতিযোগিতা ১৯৯৯ সালে সেরা হয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান এ অভিনেত্রী।