ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছেছেন।
নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জো মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন। ঢাকায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন।
এছাড়া শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
শপথ অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারি বেরিস একিনচি, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা ঢাকায় এসেছেন। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১৪টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানান।
এসব দেশ হলো সৌদি আরব, চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। তবে আমন্ত্রিত ১৪টি দেশের মধ্যে ৬টি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা। এই ৬টি দেশ হলো চীন, জাপান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও মালয়েশিয়া।
বিদেশি অতিথিরা মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। যার মধ্যে ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।
বিএনপির শরিকরা জয় পেয়েছে ৩টি আসনে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী জয় পেয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। তাদের মধ্যে এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























