3:26 am, Friday, 26 June 2026

মোবাইল ইন্টারনেটে সোমালিয়ার চেয়েও বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :: বাংলাদেশের যেসব মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের একটি বড় অংশই যোগাযোগ, ব্রাউজিং বা বিনোদনের ক্ষেত্রে মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই।

মোবাইল ইন্টারনেটের গতির দিক দিয়ে ভারত কিংবা পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে পড়া দেশ বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু বাংলাদেশের চাইতে কম গতির ইন্টারনেট রয়েছে আফগানিস্তানে। এমনকি আফ্রিকার দরিদ্র দেশ বলে পরিচিত ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার চাইতেও খারাপ অবস্থা বাংলাদেশের।

বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরগুলো অনেকদিন ধরেই ৪জি গতির ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে বলে দাবি করে। এমনকি দ্রুতই তারা ইন্টারনেটের সবচেয়ে অগ্রসর প্রযুক্তি ৫জি সেবা দেবে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। বড় একটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অবশ্য তাদের ইন্টারনেটের গতি কম থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তিনি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে রাজি হননি।

টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার দুই গুণ বেড়েছে। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা সে অনুপাতে বাড়েনি। তাই মোবাইল গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত ইন্টারনেট গতি পাচ্ছে না।

তিনি আরো জানান,মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর যে পরিমাণে ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে তার চাইতে স্পেকট্রাম বা তরঙ্গের পরিমাণ কম থাকায় ইন্টারনেটের গতি কম হচ্ছে।

এরকম পরিস্থিতিতে আগামী সোমবার (৮ই মার্চ) নতুন স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই নিলাম থেকে অপারেটররা প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম কিনে নেয়ার পর আগামী মাস থেকে ইন্টারনেট সেবার অগ্রগতি হবে বলে তারা আশা করছেন।

তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে ফোরজি হ্যান্ডসেট না থাকাও এই ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নান্দুয়া ব্রিজের নিচে অবাধে মাটি কাটা, ঝুঁকিতে সড়ক ও সেতু

মোবাইল ইন্টারনেটে সোমালিয়ার চেয়েও বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে?

Update Time : 08:34:03 am, Thursday, 25 March 2021

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :: বাংলাদেশের যেসব মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের একটি বড় অংশই যোগাযোগ, ব্রাউজিং বা বিনোদনের ক্ষেত্রে মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই।

মোবাইল ইন্টারনেটের গতির দিক দিয়ে ভারত কিংবা পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে পড়া দেশ বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু বাংলাদেশের চাইতে কম গতির ইন্টারনেট রয়েছে আফগানিস্তানে। এমনকি আফ্রিকার দরিদ্র দেশ বলে পরিচিত ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার চাইতেও খারাপ অবস্থা বাংলাদেশের।

বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরগুলো অনেকদিন ধরেই ৪জি গতির ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে বলে দাবি করে। এমনকি দ্রুতই তারা ইন্টারনেটের সবচেয়ে অগ্রসর প্রযুক্তি ৫জি সেবা দেবে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। বড় একটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অবশ্য তাদের ইন্টারনেটের গতি কম থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তিনি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে রাজি হননি।

টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার দুই গুণ বেড়েছে। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা সে অনুপাতে বাড়েনি। তাই মোবাইল গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত ইন্টারনেট গতি পাচ্ছে না।

তিনি আরো জানান,মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর যে পরিমাণে ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে তার চাইতে স্পেকট্রাম বা তরঙ্গের পরিমাণ কম থাকায় ইন্টারনেটের গতি কম হচ্ছে।

এরকম পরিস্থিতিতে আগামী সোমবার (৮ই মার্চ) নতুন স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই নিলাম থেকে অপারেটররা প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম কিনে নেয়ার পর আগামী মাস থেকে ইন্টারনেট সেবার অগ্রগতি হবে বলে তারা আশা করছেন।

তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে ফোরজি হ্যান্ডসেট না থাকাও এই ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।