9:09 pm, Monday, 27 July 2026

মৌলভীবাজারের টেংরায় হাটের সবচেয়ে বড় গরু ‘টিটু’

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা বাজার কোরবানির হাটে লোকজনের নজর কাড়ছে হাটের সবথেকে বড় ষাঁড় টিটু। ২৫ মণ ওজনের এই ষাঁড়টি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা যায় হাটে আরও গরু উঠলেও হাটে আসা মানুষের জটলা টিটুকে ঘিরে। বিক্রেতার সাথে আলাপ করে জানা যায় এর ওজন ২৫ মণ। বিক্রেতা টিটু’র দাম চাইছেন ৮ লাখ টাকা। তবে সর্বশেষ সাড়ে ৬ লাখ টাকা দাম হলে বিক্রি করে ফেলবেন বলে  জানিয়েছেন তিনি।

সিলেট-সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যার প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটগুলোতে। সপ্তাহের সাত দিন মৌলভীবাজারের কোনো না কোনো স্থানে বসে পশুর হাট। এসব হাটে স্থানীয় দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকার ও বেপারীরা নিয়ে আসেন নানান প্রজাতির গরু। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর গবাদিপশুর দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধিকেই দায়ী করছেন এসব গরুর ব্যবসায়ীরা ।

খামারিরা বলছেন, হাটে গরু নিয়ে আসলেও প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের যত সময় ঘনিয়ে আসবে দাম আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

এবছর ভারতীয় গরু হাটে না আসায় একটু স্বস্তি ফিরেছে কোরবানির হাটেগুলোতে। গত দু-বছর করোনায় লোকসানে থাকা গরুর খামারি ও ব্যবসায়ীরা এই ঈদের বাজারে লাভের প্রত্যাশা করছেন।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারের টেংরায় হাটের সবচেয়ে বড় গরু ‘টিটু’

Update Time : 09:24:48 am, Monday, 4 July 2022

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা বাজার কোরবানির হাটে লোকজনের নজর কাড়ছে হাটের সবথেকে বড় ষাঁড় টিটু। ২৫ মণ ওজনের এই ষাঁড়টি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা যায় হাটে আরও গরু উঠলেও হাটে আসা মানুষের জটলা টিটুকে ঘিরে। বিক্রেতার সাথে আলাপ করে জানা যায় এর ওজন ২৫ মণ। বিক্রেতা টিটু’র দাম চাইছেন ৮ লাখ টাকা। তবে সর্বশেষ সাড়ে ৬ লাখ টাকা দাম হলে বিক্রি করে ফেলবেন বলে  জানিয়েছেন তিনি।

সিলেট-সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যার প্রভাব পড়েছে এবারের কোরবানির হাটগুলোতে। সপ্তাহের সাত দিন মৌলভীবাজারের কোনো না কোনো স্থানে বসে পশুর হাট। এসব হাটে স্থানীয় দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকার ও বেপারীরা নিয়ে আসেন নানান প্রজাতির গরু। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর গবাদিপশুর দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধিকেই দায়ী করছেন এসব গরুর ব্যবসায়ীরা ।

খামারিরা বলছেন, হাটে গরু নিয়ে আসলেও প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের যত সময় ঘনিয়ে আসবে দাম আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

এবছর ভারতীয় গরু হাটে না আসায় একটু স্বস্তি ফিরেছে কোরবানির হাটেগুলোতে। গত দু-বছর করোনায় লোকসানে থাকা গরুর খামারি ও ব্যবসায়ীরা এই ঈদের বাজারে লাভের প্রত্যাশা করছেন।