2:00 pm, Thursday, 22 October 2026

রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়বে না ব্রিটিশ সেনারা : জনসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়া। আজ বুধবার হামলার সপ্তম দিন। রাশিয়া-ইউক্রেনের এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতেতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইউক্রেনে যুক্তরাজ্যের সেনারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করবে না। এস্তোনিয়ার তাপা সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনের পর ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ এবং এস্তোনিয়ান প্রধানমন্ত্রী কাজা ক্যালাসের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এ কথা বলেন।

জনসন বলেছেন, ‘আমি সুস্পষ্টভাবে এ ব্যাপারে বলতে চাই, আমরা ইউক্রেনে রাশিয়ারি সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না। আমরা যেমন ইউক্রেনের জনগণকে সমর্থন করি, তেমনি আমাদের জনগণ ও আমাদের মূল্যবোধকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অংশীদারিত্বপূর্ণ সহনশীলতা জোরদার করতে হবে। এগুলো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা ছাড়া আর কিছুই নয়, যেটি ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ন্যাটোর নির্যাস ছিল।’

সম্প্রতি ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়ে জনসন জানান, এসব সেনাকে ইউক্রেনে নয়, বরং ন্যাটো সীমান্তগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তাপা এলাকার মতো অঞ্চলগুলোতে আমাদের অতিরিক্ত সেনা শক্তিবৃদ্ধি করবে, তারা দৃঢ়ভাবে ন্যাটো সদস্যদের সীমানার মধ্যে রয়েছে এবং তারা একেবারে সঠিক কাজ করছে।’
খবর সিএনএন

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

দলীয় নীতি,আদর্শ ভঙ্গের অভিযোগে শ্যামলী সূত্রধরকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়বে না ব্রিটিশ সেনারা : জনসন

Update Time : 09:27:34 am, Wednesday, 2 March 2022

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়া। আজ বুধবার হামলার সপ্তম দিন। রাশিয়া-ইউক্রেনের এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতেতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইউক্রেনে যুক্তরাজ্যের সেনারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করবে না। এস্তোনিয়ার তাপা সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনের পর ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ এবং এস্তোনিয়ান প্রধানমন্ত্রী কাজা ক্যালাসের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এ কথা বলেন।

জনসন বলেছেন, ‘আমি সুস্পষ্টভাবে এ ব্যাপারে বলতে চাই, আমরা ইউক্রেনে রাশিয়ারি সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না। আমরা যেমন ইউক্রেনের জনগণকে সমর্থন করি, তেমনি আমাদের জনগণ ও আমাদের মূল্যবোধকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অংশীদারিত্বপূর্ণ সহনশীলতা জোরদার করতে হবে। এগুলো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা ছাড়া আর কিছুই নয়, যেটি ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ন্যাটোর নির্যাস ছিল।’

সম্প্রতি ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়ে জনসন জানান, এসব সেনাকে ইউক্রেনে নয়, বরং ন্যাটো সীমান্তগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তাপা এলাকার মতো অঞ্চলগুলোতে আমাদের অতিরিক্ত সেনা শক্তিবৃদ্ধি করবে, তারা দৃঢ়ভাবে ন্যাটো সদস্যদের সীমানার মধ্যে রয়েছে এবং তারা একেবারে সঠিক কাজ করছে।’
খবর সিএনএন