9:55 pm, Friday, 16 October 2026

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কমছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ফিরেছে স্বস্তি

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাত নামলেই খুন, ধর্ষণ ও অপহরণ। যেন নরকে রূপ নেয় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প। তবে রোহিঙ্গা যুবকদের স্বেচ্ছায় রাত জেগে পাহারায় পাল্টে গেছে ভয়াবহ সেই চিত্র। স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে। প্রতি রাতেই লাঠি হাতে পাহারায় থাকেন রোহিঙ্গা সেচ্ছাসেবী দল। অপরিচিত কাউকে দেখলেই বাজান বাঁশি। যা শুনে লাঠি হাতে ছুটে আসেন আরো বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা। প্রতি রাতে ৩ হাজার ৮৬৫ জন রোহিঙ্গা ১১টি ক্যাম্প পাহারা দেন।

তারা বলেন, আমরা চাই সবাই শান্তিতে থাকুক। সবার নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। স্থানীয় প্রশাসন আমাদের পাশে আছে। তাদের নিয়ম অনুসরণ করে আমরা এই কাজ করছি।

আগে প্রতিরাতেই নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ঘুম হারাম হলেও পাল্টেছে পরিস্থিতি। বাসিন্দারা বলেন, আমরা রাত হলেই ভয় পেতাম, কোনও নিরাপত্তা ছিল না। আমাদের অনেকেই খুন হয়েছে। তবে এখন পাহারা দেয়ার কারণে স্বস্তিতে আছি। পরিবার নিয়ে চিন্তামুক্ত আছি।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, এটি একটি নিচ্ছিদ্র নিরাপদ ব্যবস্থা। ৫০ থেকে ৬০ মিটার দূরে লাঠি নিয়ে পাহারাদাররা পাহারা দিচ্ছে। এই দূরত্বে কোন ওঅপরাধী অপরাধ করে টিকে থাকা সম্ভব না।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ক্যাম্পে কমেছে অগ্নি সংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনা। পাশাপাশি বেড়েছে মাদক, অস্ত্র উদ্ধার আর গ্রেপ্তারের সংখ্যা।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কমছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ফিরেছে স্বস্তি

Update Time : 07:32:00 am, Friday, 29 July 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাত নামলেই খুন, ধর্ষণ ও অপহরণ। যেন নরকে রূপ নেয় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প। তবে রোহিঙ্গা যুবকদের স্বেচ্ছায় রাত জেগে পাহারায় পাল্টে গেছে ভয়াবহ সেই চিত্র। স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে। প্রতি রাতেই লাঠি হাতে পাহারায় থাকেন রোহিঙ্গা সেচ্ছাসেবী দল। অপরিচিত কাউকে দেখলেই বাজান বাঁশি। যা শুনে লাঠি হাতে ছুটে আসেন আরো বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা। প্রতি রাতে ৩ হাজার ৮৬৫ জন রোহিঙ্গা ১১টি ক্যাম্প পাহারা দেন।

তারা বলেন, আমরা চাই সবাই শান্তিতে থাকুক। সবার নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। স্থানীয় প্রশাসন আমাদের পাশে আছে। তাদের নিয়ম অনুসরণ করে আমরা এই কাজ করছি।

আগে প্রতিরাতেই নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ঘুম হারাম হলেও পাল্টেছে পরিস্থিতি। বাসিন্দারা বলেন, আমরা রাত হলেই ভয় পেতাম, কোনও নিরাপত্তা ছিল না। আমাদের অনেকেই খুন হয়েছে। তবে এখন পাহারা দেয়ার কারণে স্বস্তিতে আছি। পরিবার নিয়ে চিন্তামুক্ত আছি।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, এটি একটি নিচ্ছিদ্র নিরাপদ ব্যবস্থা। ৫০ থেকে ৬০ মিটার দূরে লাঠি নিয়ে পাহারাদাররা পাহারা দিচ্ছে। এই দূরত্বে কোন ওঅপরাধী অপরাধ করে টিকে থাকা সম্ভব না।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ক্যাম্পে কমেছে অগ্নি সংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনা। পাশাপাশি বেড়েছে মাদক, অস্ত্র উদ্ধার আর গ্রেপ্তারের সংখ্যা।