4:53 am, Saturday, 17 October 2026

হাওয়া সিনেমায় বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘন নিয়ে অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক :: সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা সিনেমাটি দেখার পর এর সত্যতাও পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের চার কর্মকর্তা সিনেমাটি দেখেন। পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান তারা।

আলোচিত ‘হাওয়া’ সিনেমায় একটি শালিক পাখিকে খাঁচায় প্রদর্শন ও হত্যা করে খাওয়ার চিত্র দেখানো হয়েছে। একই চলচ্চিত্রের বিহাইন্ড দ্য সিন এ দেখানো হয়েছে সামুদ্রিক প্রাণী শাপলা পাতা মাছ তুলে আনার দৃশ্যও। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো।

সিনেমাটি দেখে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, সিনেমায় মাছ ধরা নৌকায় দীর্ঘসময় একটি শালিক পাখিকে খাচায় বন্দি রাখা হয় এবং শেষে পাখির মাংস খাওয়া হয়, যা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ এর সুস্পষ্ট বিরোধী। কেননা বন্যপ্রাণীকে খাঁচায় আটক রাখা কিংবা বন্দি রাখা আইনের লঙ্ঘন।

পরবর্তী পদক্ষেপের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা রিপোর্ট পেশ করব। আশা করি, আইন অমান্যকারীকে শাস্তির আওতায় আসতে হবে।

যদিও সিনেমাটির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন শুরু থেকে দাবি করে আসছিলেন, তারা আইন লঙ্ঘনের মতো কিছু করেননি। তার ভাষায়, এটা একটা ফিকশনাল ওয়ার্ক। এখানে কোনো বন্যপ্রাণী হত্যা করা হয়নি। দৃশ্যায়নের প্রয়োজনে এখানে বিকল্প ব্যবহার করা হয়েছে।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হাওয়া সিনেমায় বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘন নিয়ে অভিযোগ

Update Time : 04:01:40 am, Saturday, 13 August 2022

বিনোদন ডেস্ক :: সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে বন্যপ্রাণী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা সিনেমাটি দেখার পর এর সত্যতাও পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের চার কর্মকর্তা সিনেমাটি দেখেন। পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান তারা।

আলোচিত ‘হাওয়া’ সিনেমায় একটি শালিক পাখিকে খাঁচায় প্রদর্শন ও হত্যা করে খাওয়ার চিত্র দেখানো হয়েছে। একই চলচ্চিত্রের বিহাইন্ড দ্য সিন এ দেখানো হয়েছে সামুদ্রিক প্রাণী শাপলা পাতা মাছ তুলে আনার দৃশ্যও। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো।

সিনেমাটি দেখে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, সিনেমায় মাছ ধরা নৌকায় দীর্ঘসময় একটি শালিক পাখিকে খাচায় বন্দি রাখা হয় এবং শেষে পাখির মাংস খাওয়া হয়, যা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ এর সুস্পষ্ট বিরোধী। কেননা বন্যপ্রাণীকে খাঁচায় আটক রাখা কিংবা বন্দি রাখা আইনের লঙ্ঘন।

পরবর্তী পদক্ষেপের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা রিপোর্ট পেশ করব। আশা করি, আইন অমান্যকারীকে শাস্তির আওতায় আসতে হবে।

যদিও সিনেমাটির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন শুরু থেকে দাবি করে আসছিলেন, তারা আইন লঙ্ঘনের মতো কিছু করেননি। তার ভাষায়, এটা একটা ফিকশনাল ওয়ার্ক। এখানে কোনো বন্যপ্রাণী হত্যা করা হয়নি। দৃশ্যায়নের প্রয়োজনে এখানে বিকল্প ব্যবহার করা হয়েছে।