6:12 pm, Wednesday, 23 September 2026

১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্ব্বোচ্চ চা উৎপাদন

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট বিভাগের বাগানগুলোর সফলতায় বাণিজ্যিক চা চাষে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্ব্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড এবারই প্রথম। গত বছর চা উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২১ সালে ছোট-বড় সব বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয় বলে জানানো হয়েছে। গত বছর ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের টার্গেট থাকলেও বছর শেষে ১৬৭টি বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন অন্যান্য বাগান মিলে মোট ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। নজির গড়া উৎপাদনের এ পরিমাণ ২০২০ সালের তুলনায় এক কোটি ১১ লাখ কেজি বেশি।

এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল, যা ছিল সেসময় পর্যন্ত দেশে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ। এর আগে গত অক্টোবরে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ এক কোটি ৪৫ লাখ কেজি চা উৎপাদনের তথ্য জানায় চা বোর্ড।

চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ প্রদান, বাগান মালিক ও শ্রমিকদের নিরলস প্রচেষ্টা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, চা শ্রমিকদের মজুরি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২১ সালে দেশের চা উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

মো. আশরাফুল ইসলাম আরও জানান, উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে ২০২১ সালে রেকর্ড এক কোটি ৪৫ লাখ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে, আগের বছর এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৩ লাখ কেজি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্ব্বোচ্চ চা উৎপাদন

Update Time : 10:45:09 am, Friday, 21 January 2022

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট বিভাগের বাগানগুলোর সফলতায় বাণিজ্যিক চা চাষে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্ব্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড এবারই প্রথম। গত বছর চা উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২১ সালে ছোট-বড় সব বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয় বলে জানানো হয়েছে। গত বছর ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের টার্গেট থাকলেও বছর শেষে ১৬৭টি বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন অন্যান্য বাগান মিলে মোট ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। নজির গড়া উৎপাদনের এ পরিমাণ ২০২০ সালের তুলনায় এক কোটি ১১ লাখ কেজি বেশি।

এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল, যা ছিল সেসময় পর্যন্ত দেশে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ। এর আগে গত অক্টোবরে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ এক কোটি ৪৫ লাখ কেজি চা উৎপাদনের তথ্য জানায় চা বোর্ড।

চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ প্রদান, বাগান মালিক ও শ্রমিকদের নিরলস প্রচেষ্টা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, চা শ্রমিকদের মজুরি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২১ সালে দেশের চা উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

মো. আশরাফুল ইসলাম আরও জানান, উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে ২০২১ সালে রেকর্ড এক কোটি ৪৫ লাখ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে, আগের বছর এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৩ লাখ কেজি।