3:29 am, Wednesday, 22 April 2026

‘অর্থ ও প্রচারণা’র জন্যই মেসিকে ব্যালন ডি’অর দেয়া হয়েছে : রদ্রি হার্নান্দেজ

ডেস্ক রিপোর্ট :রেকর্ড অষ্টমবারের মতো ব্যালন ডি’অর শিরোপা নিজের করে নিয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এ শিরোপা জয়ে তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন গত মৌসুমে ট্রেবলজয়ী ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্ড। শুধু তাই নয় একই প্রতিপক্ষকে টপকে ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের শিরোপা ‘দ্য বেস্ট’ নিজের করে নেন মেসি।

এরপর থেকেই এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রথম দিকে চুপ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে ইউরোপ ছেড়ে সৌদিতে পা রাখা পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বলেন, আমি মনে করি, এই পুরস্কারগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। আমাদের পুরো মৌসুম বিশ্লেষণ করতে হবে।

এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন ট্রেবলজয়ী দল ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফুটবলার রদ্রি হার্নান্দেজ। যিনি স্প্যানিশ জাতীয় দলের হয়ে জিতেন উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা। তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ও উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রদ্রি। অথচ দারুণ মৌসুম কাটালেও ব্যালন ডি’অরের সেরা তিনে জায়গা হয়নি তারা।

তাই তো তার ক্ষোভটা একটু বেশি। সেই ক্ষোভকে এবার উগরে দিলেন এ স্প্যানিশ তারকা মিডফিল্ডার। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য মিররের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, গত বছর ব্যালন ডি’অরের সেরা তিনে জায়গা না পাওয়ায় অবাক হননি। তার দাবি, এখানে সেরা নির্বাচনের সময় পারফরম্যান্সের চেয়ে ‘অর্থ ও বিজ্ঞাপন’ এর বিষয়টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। খবর গোলডটকম

দ্য মিররকে রদ্রি বলেন, আমি মোটেও অবাক নই, এটাই স্বাভাবিক। আমি খুব ভালোভাবেই বুঝি এইসব ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারের পেছনে কীভাবে কলকাঠি নাড়ানো হয়। এ সবই প্রচারণা, অর্থ এবং বিজ্ঞাপনের ওপর ভিত্তি করে দেয়া হয়।

এ সময় তিনি উদাহরণ হিসেবে স্বদেশি মিডফিল্ডার জাভি ও ইনিয়েস্তার কথা তুলে ধরেন। যারা ২০১০ সালে স্পেনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতিয়েও ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি। রদ্রি বলেন, আগেও কয়েকজন মিডফিল্ডার, যারাও কিনা ছিলেন স্প্যানিশ, তারাও সেটা পাননি যা তাদের প্রাপ্য ছিল। তুমি কি বুঝতে পারছ আমি কী বুঝাতে চাচ্ছি? (হাসি) আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটাই যা সম্মিলিতভাবে অর্জন করা যায়।’

উল্লেখ্য, ব্যালন ডি’অর জয়ে মেসির পরের স্থানেই ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড ও পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। তারপর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে যথাক্রমে ছিলেন ট্রেবলজয়ী ম্যানসিটির অপর দুই খেলোয়াড় কেভিন ডি ব্রুইনা ও রদ্রি। যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম হন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

‘অর্থ ও প্রচারণা’র জন্যই মেসিকে ব্যালন ডি’অর দেয়া হয়েছে : রদ্রি হার্নান্দেজ

Update Time : 06:59:24 am, Wednesday, 14 February 2024

ডেস্ক রিপোর্ট :রেকর্ড অষ্টমবারের মতো ব্যালন ডি’অর শিরোপা নিজের করে নিয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এ শিরোপা জয়ে তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন গত মৌসুমে ট্রেবলজয়ী ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্ড। শুধু তাই নয় একই প্রতিপক্ষকে টপকে ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের শিরোপা ‘দ্য বেস্ট’ নিজের করে নেন মেসি।

এরপর থেকেই এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রথম দিকে চুপ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে ইউরোপ ছেড়ে সৌদিতে পা রাখা পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বলেন, আমি মনে করি, এই পুরস্কারগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। আমাদের পুরো মৌসুম বিশ্লেষণ করতে হবে।

এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন ট্রেবলজয়ী দল ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফুটবলার রদ্রি হার্নান্দেজ। যিনি স্প্যানিশ জাতীয় দলের হয়ে জিতেন উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা। তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ও উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রদ্রি। অথচ দারুণ মৌসুম কাটালেও ব্যালন ডি’অরের সেরা তিনে জায়গা হয়নি তারা।

তাই তো তার ক্ষোভটা একটু বেশি। সেই ক্ষোভকে এবার উগরে দিলেন এ স্প্যানিশ তারকা মিডফিল্ডার। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য মিররের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, গত বছর ব্যালন ডি’অরের সেরা তিনে জায়গা না পাওয়ায় অবাক হননি। তার দাবি, এখানে সেরা নির্বাচনের সময় পারফরম্যান্সের চেয়ে ‘অর্থ ও বিজ্ঞাপন’ এর বিষয়টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। খবর গোলডটকম

দ্য মিররকে রদ্রি বলেন, আমি মোটেও অবাক নই, এটাই স্বাভাবিক। আমি খুব ভালোভাবেই বুঝি এইসব ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারের পেছনে কীভাবে কলকাঠি নাড়ানো হয়। এ সবই প্রচারণা, অর্থ এবং বিজ্ঞাপনের ওপর ভিত্তি করে দেয়া হয়।

এ সময় তিনি উদাহরণ হিসেবে স্বদেশি মিডফিল্ডার জাভি ও ইনিয়েস্তার কথা তুলে ধরেন। যারা ২০১০ সালে স্পেনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতিয়েও ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি। রদ্রি বলেন, আগেও কয়েকজন মিডফিল্ডার, যারাও কিনা ছিলেন স্প্যানিশ, তারাও সেটা পাননি যা তাদের প্রাপ্য ছিল। তুমি কি বুঝতে পারছ আমি কী বুঝাতে চাচ্ছি? (হাসি) আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটাই যা সম্মিলিতভাবে অর্জন করা যায়।’

উল্লেখ্য, ব্যালন ডি’অর জয়ে মেসির পরের স্থানেই ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড ও পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। তারপর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে যথাক্রমে ছিলেন ট্রেবলজয়ী ম্যানসিটির অপর দুই খেলোয়াড় কেভিন ডি ব্রুইনা ও রদ্রি। যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম হন।