স্টাফ রিপোটার: কনকনে তীব্র শীত ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। হাড় কাপানো শীতে শহরে,হাওরাঞ্চলে ও চা বাগানের ঝুপড়ি ঘড়ে এক কাপড়েই জীবন যাপন। রাত্রি যাপন ও ভোরে বিভিন্ন কাজে ও বাগানে শ্রম বিক্রি করেই বসবাস তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।
দেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা উচুু উচু পাহাড়ে সারি সারি ৯২টি চা বাগান নিয়ে বেষ্টিত মৌলভীবাজার। সবুজ চা পাতার সঙ্গে নারীর সর্ম্পক বহুকাকালের। দুটি পাতা একটি কুঁড়ি উঠে আসে নারীদের হাত স্পর্শ করে। ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে জবুথবু চা শ্রমিকরা শীত উপেক্ষা করেই চলছে ঝুপড়ি ঘরে পশু পাখি ও পরিবার নিয়ে জীবন যুদ্ধ ও সংগ্রাম। চা শ্রমিকদের শীত ও নেই গরমও নেই। কাজ ছাড়া উপায়ও নেই। নারীর ঘামে-শ্রমেই আজ চা শিল্প প্রতিষ্ঠিত ও অর্থনীতিকে সচল রেখে আসছে। ঝুপড়ি ঘর আর নারী শ্রমিকদের মজুরী যা পান সেগুলো পরিবারে বাচছা-কাচাছা নিয়ে খেয়ে ধেয়েই শেষ। শীতের কাপড় কিভাবে কিনবে এমন কষ্টে জীবন যাপন সত্যিই বেদনাদায়ক। তারা বলেন- আমরাতো সরকারী বা বেসরকারীভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসাবাসকারী শীত নির্বারনের গড়ম কাপড় পড়তে পারিনা। ঠান্ডার কারণে কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। হাতগুলো কোঁকড়া হয়ে আছে তবুও জীবিকার তাগিদে ভোর থেকে সন্ধা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। অনেকের একটি শীতের কাপড় দিয়েই চলছে দিনযাপন।
মৌলভীবাজারে গত এক সপ্তাহ ১০ডি: সে: থেকে ১৬ডি: সেলসিয়াস তাপমাত্রা উঠা নামা করে আসছে।
এদিকে সড়কে যানবানগুলো বাতি জানিয়ে চলাচল করছে ও হাসাপাল ক্লিনিকে বাড়ছে শিশু বৃদ্দদের সংখ্যা।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















