10:05 am, Thursday, 25 June 2026

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় খালের মাটি কেটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনঃখননের মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খরা মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছে সরকার।

এর আগে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে দিনাজপুরের বলরামপুরে সাহাপাড়া খালের স্থলে আসেন। খালের মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর জনসভায় বক্তব্য রাখছেন তিনি।

এরপার পারিবারিক কবর জিয়ারত এবং বিকেলে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে তার ব্যস্ত দিন কাটবে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল ও জলাধার খননের মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই আধুনিক খাল খনন কর্মসূচির ফলে জনগণ যেভাবে লাভবান হবে:
১. আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক কৃষির প্রসার: বর্তমান সরকার শুধু খাল কেটেই বসে থাকবে না, খালের পানির বৈজ্ঞানিক ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। সংরক্ষিত পানি দিয়ে আধুনিক সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, যা কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাবে এবং ফলন বাড়াবে।

২. বহুমাত্রিক গ্রামীণ অর্থনীতি (মাছ ও হাঁস পালন): খালগুলোতে সারা বছর পানি থাকলে তা শুধু কৃষিতেই নয়, বরং মাছচাষ এবং হাঁস পালনের মতো লাভজনক খাতেও বিপ্লব আনবে। এতে গ্রামীণ যুবকদের কর্মসংস্থান হবে এবং আমিষের চাহিদা মিটবে।

৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা: দিনাজপুরের সাহাপাড়ায় যে ১২ কিলোমিটার খাল খনন করা হচ্ছে, শুধু এর ফলেই ওই এলাকার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ বর্ষার অতিরিক্ত বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে।

৪. পরিবেশের ভারসাম্য ও বনায়ন: নতুন এই কর্মসূচিতে খাল খননের পাশাপাশি পাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ এবং ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করা হবে। এটি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে ৭৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও উপবৃত্তি

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 07:05:53 am, Monday, 16 March 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় খালের মাটি কেটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনঃখননের মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খরা মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছে সরকার।

এর আগে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে দিনাজপুরের বলরামপুরে সাহাপাড়া খালের স্থলে আসেন। খালের মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর জনসভায় বক্তব্য রাখছেন তিনি।

এরপার পারিবারিক কবর জিয়ারত এবং বিকেলে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে তার ব্যস্ত দিন কাটবে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল ও জলাধার খননের মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই আধুনিক খাল খনন কর্মসূচির ফলে জনগণ যেভাবে লাভবান হবে:
১. আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক কৃষির প্রসার: বর্তমান সরকার শুধু খাল কেটেই বসে থাকবে না, খালের পানির বৈজ্ঞানিক ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। সংরক্ষিত পানি দিয়ে আধুনিক সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, যা কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাবে এবং ফলন বাড়াবে।

২. বহুমাত্রিক গ্রামীণ অর্থনীতি (মাছ ও হাঁস পালন): খালগুলোতে সারা বছর পানি থাকলে তা শুধু কৃষিতেই নয়, বরং মাছচাষ এবং হাঁস পালনের মতো লাভজনক খাতেও বিপ্লব আনবে। এতে গ্রামীণ যুবকদের কর্মসংস্থান হবে এবং আমিষের চাহিদা মিটবে।

৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা: দিনাজপুরের সাহাপাড়ায় যে ১২ কিলোমিটার খাল খনন করা হচ্ছে, শুধু এর ফলেই ওই এলাকার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ বর্ষার অতিরিক্ত বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে।

৪. পরিবেশের ভারসাম্য ও বনায়ন: নতুন এই কর্মসূচিতে খাল খননের পাশাপাশি পাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ এবং ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করা হবে। এটি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।