1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
করোনা আপডেট : ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সারাদেশে করোনায় মৃত্যুও মিছিলে আরও ২১৮মৃত্যু, শনাক্ত ৯হাজার ৩৬৯জন  

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘‘বাড়ি’’ নদীতে তলিয়ে যাওয়া ও পাহাড় ধসের আশংকা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২৭২৪ বার পঠিত

মশাহিদ আহমদ/দুরুদ আহমদ:  মৌলভীবাজারে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে নির্মিত পাকা ঘরগুলো মধ্যে নদীর পাড়ের লোকজনদের নির্মিত ঘর বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। অপরদিকে পাহাড় এলাকায় নির্মিত গৃহ পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে বলে অভিমত বিজ্ঞজনদের। বাড়িগুলো নির্মাণে স্থান নির্ধারণে অবহেলা ও নিন্ম মানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। গত ২দিনের অবিরাম বৃষ্টি আর উজান নেথে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় রয়েছেন নদীবাদের ভেতরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশ বরেন্য সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসহায়,গৃহহীন আবাসস্থল ঘর নিয়ে চিন্তিত উপহার প্রাপ্তিরা। এনিয়ে বন্যার শুরুতেই নদীর ভেতরে নির্মান করা ঘর ও উচু পাহাড়ে নির্মান করা ঘর নিয়ে আতংক রয়েছেন ঘরপ্রাপ্তিরা। চলছে সচেতন মহলসহ বিভিন্ন শ্রেনী পশার মানুষের মাজে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। জানা গেছে- জেলা ও উপজেলা গুলোতে দরিদ্র ভূমিহীন ২২৭৭ টি পরিবারকে দুই শতক করে খাসজমি বন্দোবস্ত দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়। দুটি কক্ষ, রান্নাঘর, টয়লেটসহ প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয় এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাইজদিহি উচু পাহাড়ে ৩০০টি ও শহরের সৈয়ারপুর সংলগ্ল মনুনদীর বাধের ভেতরে ৪০টি ঘরসহ জেলায় মোট ২হাজার ২শত ৭৭ টি ঘর। প্রধান মন্ত্রীর ঘর পেয়ে খুশি হলেও এখন অতীতের বন্যার রেকর্ড খুজতে নিয়ে দিন রাত আতংক রয়েছেন ঘর প্রাপ্তিরা। কখন যে নদী পানিতে ভরপুর হয়ে তলিয়ে যায়। সুবিধাভোগী অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান-ভেঙে পড়ার শঙ্কায় তারা ওই ঘরে থাকছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা অভিযোগ করেন-তড়িঘড়ি করে মনু নদীর ভেতরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়িগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া মাটি কেটে যদি বাধের উপড়ে উচু করা হতো তাহলে রক্ষা পেতাম। শুধু তাই নয় বঙ্গবন্ধুর সু-যোগ্য কন্যার দেয়া ঘরে বাকি জীবনটা কাটাবো বলে নিশ্বাস ফেলছিলাম কিন্তুু এখন নদীর পানি বেড়ে কখন যেন নিয়ে যায় এই আতংকে রয়েছি। তাই সামান্য বৃষ্টিতেই নদীতে ধসে যাওয়ায় ঘরগুলোর এ অবস্থা হয়েছে।

প্রধান মন্ত্রীর এই সফল কাজকে স্থান নির্ধারণে অদূরদর্শিতা,অবহেলাকে দায়ী করেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কালাপুর ইউনিয়নের মাইজদিহি উচু পাহাড়ে বসবাসরত একাধিক পরিবার বলেন- বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য ও ভূমিহীনদের ভুমি ও ঘর উপহার পেয়ে আমরা চির কৃতজ্ঞ জননেত্রী শেখ হাসিনার উপড়। কিন্তুু উচু পাহাড়ের উপড়ে যারা ঘর বানানোর দায়িত্বে ছিলেন তারা অবহেলা ও আমাদের জান মালের চিন্তা না করে সিন্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন ছিল।

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..