1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

কুলাউড়ার রাজার দিঘীতে বড়শী উৎসব

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৩ বার পঠিত

সৈয়দ আশফাক তানভীর :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কয়েকশত বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী রাজার দিঘীর পাড়ে বিভিন্ন স্থান থেকে বড়শী উৎসবে যোগ দিতে সৌখীন মৎস্য শিকারীরা জড়ো হতে শুরু করেন ।
মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পুরো দিনব্যাপী এ বড়শী উৎসবের আয়োজনে যোগ দেন সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে ৬৫ টি সৌখীন মৎস্য শিকারী দল।

সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে রাজার দিঘীর পাড়ে দেখা যায়, প্রায় সাড়ে ৭ একর এলাকা জুড়ে রাজার দিঘীর পাড়ে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরী ৬৫ টি মাচাতে বসে প্রায় শতাধিক সৌখীন শিকারী পানিতে বড়শী দিয়ে মাছ ধরার জন্য বসে আছেন।
ইসমাইল হোসেন, অলিউর রহমান , জাহেদুল ইসলামসহ প্রায় ৭ জন সৌখীন শিকারীর সাথে আলাপকালে জানান, সকাল থেকে বড়শী দিয়ে মাছ ধরছেন তাঁরা। রুই, মৃগেল, কাতল, বাউশ মাছ বড়শীতে ধরা পড়লেও ওজন ও আকৃতিতে অনেক ছোট। একেকটি মাছের ওজন সর্বোচ্চ এক কেজি। সারাদিনে কেউ ১০ কেজি আবার কেউ ১৫ কেজি মাছ পেয়েছন।
তাঁরা আরো জানান, এই দিঘীটি এত বড়। আশা ছিলো ৭ থেকে ৮ কেজি ওজনের মাছ বড়শী দিয়ে ধরতে পারবো। এজন্য ভালো বড়শী ও বেশ আদার (মাছের খাবার) নিয়ে এসেছিলাম। বড়শী দিয়ে বড় মাছ শিকারের আনন্দ অন্যরকম। সেই আশা পূরণ হয়নি। দীঘিতে বড় আকৃতির মাছ তেমন নেই। যা আছে সেগুলো ছোট আকৃতির।

দিঘী লিজ গ্রহণকারী মৎস্য সমিতির পরিচালক ও বড়শী উৎসবের আয়োজক জুবের আহমদ জুয়েল জানান, এবারের বড়শী উৎসবে ৬৫ টি মাচায় সৌখিন মৎস্য শিকারী দলের শতাধিক মানুষ অংশ নিয়েছেন। প্রতিটি মাচায় দুইটি করে বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করছেন। আমরা সমিতির পক্ষ থেকে লীজ নেওয়ার দেড় বছর পর এই প্রথমবার বড়শী উৎসবের আয়োজন করি। প্রতিটি মাচার টিকেটের মূল্য ২ হাজার ৫শত টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে বছরে দুই থেকে তিনবার বড়শী উৎসবের চিন্তা ভাবনা করছি।

জুবের আহমদ জুয়েল আরো বলেন, দিঘীর পাশে গোরস্তান ও জনবসতি রয়েছে। এজন্য সংস্কারের অভাবে দিঘীর পাড় ভেঙে গেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি পাড়গুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেন তাহলে ঐতিহ্যবাহী এ দিঘীটি নষ্ট হবেনা। মৎস্য সম্পদও রক্ষা পাবে।

স্থানীয় প্রবীণ রাজনীতিবিদ কমরেড আব্দুল মালিক ও লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম রুবেল জানান, ‘ইতিহাস থেকে জানা যায় বাংলা ১২০০ শতাব্দির দিকে তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা দেও সিং এটি খনন করেছিলেন। সেই থেকে এটি রাজার দিঘী নামে পরিচিত। ’

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..