7:34 am, Wednesday, 29 April 2026

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাবা কারাগারে, যা বললেন পূজা

বিনোদন ডেস্ক :: ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে নামি এই অর্থ আত্মসাত করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ গ্রেফতারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১৮ এপ্রিল এ আদেশ দেওয়া হলেও বিষয়টি শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামনে আসে।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে পূজা চেরি বলেন, ‘আপনারা যে অভিযোগ কিংবা মামলার কথা বলছেন, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে এ বিষয়ে জড়াবেন না।

মামলাটি তদন্তাধীন, এটি আমার পারিবারিক বিষয় হলেও এ বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।’
এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেবু প্রসাদ রায় প্রথমে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। এরপর একই ধরনের আশ্বাসে আরও ৫০ লাখ টাকা এবং পরে ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আরও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ মার্চও তার অনুরোধে বিকাশে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। উল্টো টাকা চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হয় এবং একপর্যায়ে হুমকিও দেওয়া হয়। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাবা কারাগারে, যা বললেন পূজা

Update Time : 08:04:15 am, Sunday, 26 April 2026

বিনোদন ডেস্ক :: ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে নামি এই অর্থ আত্মসাত করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ গ্রেফতারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১৮ এপ্রিল এ আদেশ দেওয়া হলেও বিষয়টি শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামনে আসে।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে পূজা চেরি বলেন, ‘আপনারা যে অভিযোগ কিংবা মামলার কথা বলছেন, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে এ বিষয়ে জড়াবেন না।

মামলাটি তদন্তাধীন, এটি আমার পারিবারিক বিষয় হলেও এ বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।’
এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেবু প্রসাদ রায় প্রথমে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। এরপর একই ধরনের আশ্বাসে আরও ৫০ লাখ টাকা এবং পরে ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আরও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ মার্চও তার অনুরোধে বিকাশে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। উল্টো টাকা চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হয় এবং একপর্যায়ে হুমকিও দেওয়া হয়। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।