4:47 am, Saturday, 16 May 2026

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ফের বাড়লো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: তেল উৎপাদনকারী দেশের সংস্থা ওপেক প্লাসের বৈঠক সামনে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ডলারের বেশি বেড়ে গেছে। সংস্থাটি তেলের উৎপাদন কমাতে পারে এমন ধারণা থেকেই সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

সোমবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৮৮ ডলার বা দুই শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার মূল্য বাড়ে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টামিডিয়েটের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৭৩ ডলার বা দুই শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের সেশনে এটির দাম বাড়ে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবারের বৈঠক শেষে ওপেক ও তার মিত্ররা তেলের উৎপাদন কমাতে পারে। জ্বালানি তেলের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী রাখতেই এ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক নেই।

সিএমসি মার্কেটসের বিশ্লেষক টিনা টেং বলেছেন, চাহিদায় কমায় মূল্য ধরে রাখতে উৎপাদন কমাতে পারে ওপেক প্লাস। কারণ চীনের কিছু অংশে নতুন করে লকডাউন শুরু হয়েছে।

এদিকে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওপেকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বিশ্বের দ্বিতীয় বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া এই মুহূর্তে ওপেকের সঙ্গে একমত নয়। ফলে সংস্থাটি উৎপাদন একই রকম রাখতে পারে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ফের বাড়লো

Update Time : 09:54:06 am, Monday, 5 September 2022

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: তেল উৎপাদনকারী দেশের সংস্থা ওপেক প্লাসের বৈঠক সামনে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ডলারের বেশি বেড়ে গেছে। সংস্থাটি তেলের উৎপাদন কমাতে পারে এমন ধারণা থেকেই সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

সোমবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৮৮ ডলার বা দুই শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার মূল্য বাড়ে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টামিডিয়েটের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৭৩ ডলার বা দুই শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের সেশনে এটির দাম বাড়ে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবারের বৈঠক শেষে ওপেক ও তার মিত্ররা তেলের উৎপাদন কমাতে পারে। জ্বালানি তেলের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী রাখতেই এ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক নেই।

সিএমসি মার্কেটসের বিশ্লেষক টিনা টেং বলেছেন, চাহিদায় কমায় মূল্য ধরে রাখতে উৎপাদন কমাতে পারে ওপেক প্লাস। কারণ চীনের কিছু অংশে নতুন করে লকডাউন শুরু হয়েছে।

এদিকে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওপেকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বিশ্বের দ্বিতীয় বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া এই মুহূর্তে ওপেকের সঙ্গে একমত নয়। ফলে সংস্থাটি উৎপাদন একই রকম রাখতে পারে।