ডেস্ক রিপোর্ট : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অনেকেই। সেই তালিকায় ছিলেন ভারতের জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট বিশ্লেষক হার্শা ভোগলে।
তবে প্রশংসার মাঝেও তার কণ্ঠে ছিল এক ধরনের আক্ষেপ। হার্শার বিশ্বাস, সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারলে বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে বড় প্রভাব ফেলতে পারত।
গত ফেব্রুয়ারিতে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় বাংলাদেশ। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কম আলোচনা হয়নি।
সবচেয়ে বড় বিষয়, ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল সিদ্ধান্ত। যা নিয়ে পরবর্তীতে একাধিকবার হতাশা প্রকাশ করেছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস।
বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার অধ্যায়টি এখন অতীত হলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটে এটি হয়ে আছে এক আক্ষেপের গল্প। কারণ সেই আসরকে ঘিরে দলের প্রস্তুতি ছিল ভিন্ন রকম। লিটনও জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ নিয়ে তার পরিকল্পনা ছিল আলাদা। দলও ছিল ভালো ছন্দে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিমত জানান হার্শা ভোগলে। এক্সে তিনি লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশকে ভালো করতে দেখে ভালো লাগছে। ওদের মধ্যে কিছু সত্যিকারের প্রতিভা আছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বিশ্বকাপের আগে যদি ওরা নিজেদেরকে ব্যবহৃত ও ছুড়ে ফেলা হতে না দিত। তাহলে ওরা একটা প্রভাব ফেলতে পারত।’
চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে হার্শার সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ উঠলে লিটনের কণ্ঠেও ফুটে উঠল পুরনো আক্ষেপ। তবে অধিনায়ক হিসেবে নিজের দলের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাসের কথাই জানালেন তিনি, ‘দেখুন, যারা মন্তব্য করেন তারা বিষয়টা বুঝেই করেন। আমার মনে হয় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পর্যবেক্ষণ করছেন বলেই এমন মন্তব্য করেছেন। আমার কাছেও মনে হয়, গত বছর আমরা খুব ভালোভাবে প্রস্তুত ছিলাম। যেহেতু টুর্নামেন্টটি এশিয়ায় হয়েছিল, তাই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাও আমাদের জন্য সুবিধার ছিল। দল হিসেবেও আমরা ভালো অবস্থায় ছিলাম।’
লিটন আরও যোগ করেন, ‘তবে না খেলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। নির্দিষ্ট দিনে কেমন পারফরম্যান্স করতাম, সেটি ওই দিনের ওপরই নির্ভর করত। অধিনায়ক হিসেবে আমি বলতে পারি, তখন দল ভালো ছন্দে ছিল। সবাই ক্রিকেট খেলার জন্য উন্মুখ ছিল এবং ভালো করার একটা ক্ষুধা ছিল।’

নিজস্ব প্রতিবেদক 





















