2:47 pm, Tuesday, 22 September 2026

কুলাউড়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আসলে রাস্তা ফাঁকা, চলে গেলে জমে আড্ডা

কুলাউড়া প্রতিনিধি : সারাদেশে দুই সপ্তাহের সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তৃতীয় দিনেও মাঠে জোড় তৎপরতা চালায় কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন।

সেনাবাহিনী ও পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় সকাল, দুপুর, রাতে অভিযান পরিচালনা করে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের করা হচ্ছে জরিমানা, দেয়া হচ্ছে আটকের শাস্তি।

তবে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামলে খবরটি চারিদিকে চাউর হয়। ওইসময় রাস্তা অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায় তবে ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে আবারও রাস্তায় নামে মানুষ। বাজারের কোণে থাকা ছোট চায়ের দোকানে জমে জম্পেশ আড্ডা। যদিও তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু ‘কেমন চলছে লকডাউন’ টাইপের থাকে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত লকডাউন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের ২৩ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে জরিমানার পাশাপাশি জনসাধারণকে সচেতন করার চেষ্টাও করতে দেখা গেছে।

১৪ দিনের লকডাউনের তৃতীয়দিন সন্ধ্যায় উপজেলার রবিরবাজার অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সহ ২৩ দফা বিষয়ে লোকজনকে অবহিত করেন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হতে পরামর্শ দেন। এসময় তিনি ৪টি মামলায় ৫হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

এর আগে বেলা ৩টার দিকে শহরের শহীদ মিনারের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজরাতুন নাঈম। তিনি ১২টি মামলায় ২হাজার ১শত টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। অভিযানে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে, ম্যাজিস্ট্রেট যতক্ষণ অভিযানে মাঠে থাকেন ততক্ষণ মানুষ সতর্ক চলাফেরা করলেও অভিযান শেষে কিছু মানুষ কোন প্রয়োজন ছাড়া অযথা ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়। অতি উৎসাহী এই ধরণের মানুষের এমন অসচেতন আচরণের জন্য সাধারণ মানুষকে ভুক্তভোগি হতে হচ্ছে বলে সুশীলরা মনে করছেন। তারা মনে করছেন, গণসচেতনতা ছাড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে পৃথক অভিযানে ৩৪৫ পিস কথিত ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

কুলাউড়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আসলে রাস্তা ফাঁকা, চলে গেলে জমে আড্ডা

Update Time : 09:25:45 am, Monday, 26 July 2021

কুলাউড়া প্রতিনিধি : সারাদেশে দুই সপ্তাহের সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তৃতীয় দিনেও মাঠে জোড় তৎপরতা চালায় কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন।

সেনাবাহিনী ও পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় সকাল, দুপুর, রাতে অভিযান পরিচালনা করে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের করা হচ্ছে জরিমানা, দেয়া হচ্ছে আটকের শাস্তি।

তবে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামলে খবরটি চারিদিকে চাউর হয়। ওইসময় রাস্তা অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায় তবে ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে আবারও রাস্তায় নামে মানুষ। বাজারের কোণে থাকা ছোট চায়ের দোকানে জমে জম্পেশ আড্ডা। যদিও তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু ‘কেমন চলছে লকডাউন’ টাইপের থাকে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত লকডাউন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের ২৩ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে জরিমানার পাশাপাশি জনসাধারণকে সচেতন করার চেষ্টাও করতে দেখা গেছে।

১৪ দিনের লকডাউনের তৃতীয়দিন সন্ধ্যায় উপজেলার রবিরবাজার অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সহ ২৩ দফা বিষয়ে লোকজনকে অবহিত করেন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হতে পরামর্শ দেন। এসময় তিনি ৪টি মামলায় ৫হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

এর আগে বেলা ৩টার দিকে শহরের শহীদ মিনারের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজরাতুন নাঈম। তিনি ১২টি মামলায় ২হাজার ১শত টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। অভিযানে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে, ম্যাজিস্ট্রেট যতক্ষণ অভিযানে মাঠে থাকেন ততক্ষণ মানুষ সতর্ক চলাফেরা করলেও অভিযান শেষে কিছু মানুষ কোন প্রয়োজন ছাড়া অযথা ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়। অতি উৎসাহী এই ধরণের মানুষের এমন অসচেতন আচরণের জন্য সাধারণ মানুষকে ভুক্তভোগি হতে হচ্ছে বলে সুশীলরা মনে করছেন। তারা মনে করছেন, গণসচেতনতা ছাড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না।