10:54 am, Thursday, 25 June 2026

কুলাউড়া কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে জামায়াতের হামলা: আহত ২৫

স্টাফ রিপোটার: কুলাউড়া কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে জামায়াতে ইসলামীর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছেন। জামায়াত নেতা জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শ্রী শ্রী কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে হামলা চালায় জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রী বিজন কান্তি সেন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ হেমন্ত চন্দ্র পাল সহ পূজা আয়োজন কমিটির অনেকে। এ বিষয়ে থানায় মামলা দিতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন। হামলার ভয়ে শহরের অন্যান্য পূজা মন্ডপে আয়োজন সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জামায়াত নেতাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তাদের অভিযোগ মসজিদে নামাজ চলাকালীন সময়ে পূজা মণ্ডপে গান-বাজনা করা হয়েছিল তাই বিক্ষুব্ধ মুসল্লী হামলা করেছে। ঘটনাস্থলে খোজ নিয়ে জানা যায়, নামাজ চলাকালীন সময়ে পূজা মণ্ডপে মাইক বন্ধ রাখা হয়েছিল, কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এ হামলা ও ভাংচুর করা হয়। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আব্দুছ ছালেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে ৭৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও উপবৃত্তি

কুলাউড়া কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে জামায়াতের হামলা: আহত ২৫

Update Time : 09:39:00 pm, Wednesday, 26 October 2022

স্টাফ রিপোটার: কুলাউড়া কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে জামায়াতে ইসলামীর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছেন। জামায়াত নেতা জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শ্রী শ্রী কালীবাড়ি পূজা মন্ডপে হামলা চালায় জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রী বিজন কান্তি সেন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ হেমন্ত চন্দ্র পাল সহ পূজা আয়োজন কমিটির অনেকে। এ বিষয়ে থানায় মামলা দিতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন। হামলার ভয়ে শহরের অন্যান্য পূজা মন্ডপে আয়োজন সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জামায়াত নেতাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তাদের অভিযোগ মসজিদে নামাজ চলাকালীন সময়ে পূজা মণ্ডপে গান-বাজনা করা হয়েছিল তাই বিক্ষুব্ধ মুসল্লী হামলা করেছে। ঘটনাস্থলে খোজ নিয়ে জানা যায়, নামাজ চলাকালীন সময়ে পূজা মণ্ডপে মাইক বন্ধ রাখা হয়েছিল, কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এ হামলা ও ভাংচুর করা হয়। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আব্দুছ ছালেকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।