বিশেষ প্রতিবেদক: চায়ের ভরা মৌসুমে কঠনি চ্যালঞ্জেরে মুখে হুমকি হয়ে পড়ছেে চা শল্পি। লোডশেডিংয়ে কারণে ব্যাহত হচ্ছে দেশের সিংহভাগ চা বাগান সমৃদ্ধ মৌলভীবাজার জেলার চায়রে উৎপাদন। শঙ্কা দখো দয়িছেে চায়রে গুণগত মান নয়িওে। যার প্রভাব পড়বে রপ্তানি বাজারওে। ফলে কঠনি চ্যালঞ্জেরে মুখে পড়ছেে এই চা শল্পি। লোডশডেংি দনিে চার-পাঁচ ঘন্টা স্থায়ী হচ্ছ।ে এতে করে চলতি বছরে ১০০ বলিয়িন কজেি চায়রে এই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা র্অজন নয়িে শঙ্কা প্রকাশ করছেনে চা শল্পি সংশ্লষ্টিরা।
মৌলভীবাজার জেলাকে বলা হয় চায়রে রাজধানী।কারন দশেরে সংিহভাগ চা উৎপাদন হয় মৌলভীবাজার জলোয়। সারাদশেে মোট ১৬৩টি চা বাগানরে মধ্যে শুধু মৌলভীবাজার জলোতইে রয়ছেে ছোট বড় একশতটি। দশেরে অভ্যন্তরীণ চায়রে চাহদিা মটিয়িে বদিশেওে চা রপ্তানি করা হয় এখানকার চা। তবে হঠাৎ করে লোডশডেংিয়রে কবলে পড়ে চা শল্পি এখন সংকটে পরছে।ে চা শল্পিরে সাথে জড়তিরা বলছনে, হঠাৎ করে লোডশডেংি তীব্র হওয়ায় ক্ষতগ্রিস্ত হচ্ছে উৎপাদন প্রক্রয়িা। জুলাই থকেে অক্টোবর র্পযন্ত চা উৎপাদনরে মৌসুম। এই পকি সজিনে প্রতটিি বাগানরে ফ্যাক্টরতিে ক্ষত্রেভদেে পাঁচ হাজার থকেে ৭০ হাজার কজেি চা পাতা আসে প্রক্রয়িাজাতরে জন্য। কন্তিু বদ্যিুৎ বভ্রিাটরে ফলে এই কাঁচা পাতা প্রক্রয়িাজাত করতে সমস্যায় পড়ছনে বাগান মালকিরা। যার প্রভাব পড়বে রপ্তানি বাজারওে। চায়রে মান খারাপ হলে চা পাতা রপ্তানওি করা যাবে না। আবার রপ্তানি করা গলেে সটেি ফরেত আসার আশঙ্কা থাকব।ে তখন বশ্বিবাজারে বাংলাদশেি চায়রে র্মযাদাহানি ঘটব।ে আর জনোরটের চালয়িওে চায়রে কারখানাগুলোকে সচল রাখা যাচ্ছে না। কারণ চাহদিা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার জনোরটের চালাতে গয়িে ব্যয়ও বাড়ছ।ে বর্পিযয়কর এই পরস্থিতিি থকেে সহসা উত্তরণরে কোনো আশা দখোতে পারছে না মৌলভীবাজাররে পল্লী বদ্যিুৎ সমতিওি। সব মলিয়িে এক ধরনরে হতাশা দখো দয়িছেে চা বাগানগুলোর মালকি ও র্কমর্কতাদরে মধ্য।ে
নরিবছিন্নি বদ্যিুৎ সরবরাহ না থাকায় চা বাগানরে কারখানাগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা যাচ্ছে না। এতে করে নষ্ট হচ্ছে চায়রে গুণগত মান। ন্যাশনাল টি কোম্পানরি কুরমা চা বাগানরে ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আক্তার শহীদ বলনে, চা উৎপাদনরে খুব ক্ষতি হচ্ছ,ে আমি একটানা দুই ঘন্টা ফ্যাক্টরি চালাতে পারছি না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টার বদ্যিুৎ বন্ধ থাকছ।ে একঘণ্টা বদ্যিুৎ থাকলে পররে দুই ঘন্টা বদ্যিুৎ থাকছে না। একটানা যদি ফ্যাক্টরি না চলে তাহলে চায়রে গুণগতমান নষ্ট হয়। লোডশডেংিয়রে কারণে আমাদরে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছ,ে আমাদরে খরচ বড়েে গছে।ে বদ্যিুৎ যখন চলে যায় তখন আমাদরে জনোরটের চালাতে হয় আর জনোরটের চালানোর জন্য প্রযয়োজন হয় ডজিলে। ডজিলেরে লটিার ৮৫ টাকা কর।ে কন্তিু সইে ডজিলেও আমরা চাহদিামত পাচ্ছি না। তারপর সরকার আবার বলছেে পট্রেোল পাম্প সপ্তাহে একদনি বন্ধ থাকব।ে যে কারণে জনোরটোর চালয়িওে উৎপাদন ঠকি রাখতে হুমকি হয়ে ড়া[িয়েছে। ইস্পাহানী জরেনি চা বাগানরে ব্যবস্থাপক সলেমি রজো জানান, আমরা প্রতদিনি চার থকেে সাড়ে চার হাজার কজেি কাঁচা চা পাতা প্রক্রয়িাজাত কর।ি নরিবছিন্নি বদ্যিুৎ সরবরাহ না থাকায় আমরা গ্যাস চালতি জনোরটের দয়িে কারখানা চালু রখেছে।ি এতে আমাদরে উৎপাদন ব্যয় বড়েে গছে।ে
জএিম শবিলী চয়োরম্যান বাংলাদশে টি অ্যাসোসয়িশেন সলিটে বলেন, বদ্যিুৎ সমস্যার কারণে আমাদরে সবগুলো বাগানইে চা উৎপাদন ব্যহত হচ্ছ।ে চা উৎপাদন প্রক্রয়িার সঙ্গে জড়তি সকল যন্ত্রপাতি আবার অনকে সময় জনোরটেরে চালানো সম্ভব হয় না। তা ছাড়া সবকছিুর দাম বাড়লওে চায়রে দাম কন্তিু সভোবে বাড়নে।ি এখন এই সমস্যার জন্য গুণগতমান যদি কমে যায় তাহলে চায়রে দামও কমে যাব।ে এদকিে বাংলাদশে চা র্বোড সূত্রে জানা গছে,ে এই বছর দশেে মোট চায়রে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছলি ১০০ বলিয়িন কজে।ি কন্তিু লোডশডেংি ও জ্বালানি তলেরে মূল্যবৃদ্ধরি কারণে এই লক্ষ্যমাত্রা র্অজন নয়িে শঙ্কা প্রকাশ করছেনে চা শল্পি সংশ্লষ্টিরা।
বদিশেে চা রপ্তানকিারী প্রতষ্ঠিান মঘেনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রজিরে বপিণন র্কমর্কতা মো শাহজালাল বলনে, চায়রে গুণগতমান খারাপ হলে রপ্তানবিাজারে এর ব্যাপক প্রভাব পড়ব।ে খারাপ মানরে কোনো চা বশ্বিবাজারে বক্রিয় করা সম্ভব না। আর বক্রিয় করলওে সটেি ফরেত আসব।ে যার ফলে দশেরে চায়রে রপ্তানি বাজার ও চা শল্পি দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতগ্রিস্ত হব।ে
মৌলভীবাজার পল্লী বদিুৎ সমতিরি জনোরলে ম্যানজোর প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসনে এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, একটি বা দুটি চা কারখানা হলে আমরা তাদরে আলাদা গুরুত্ব দতিে পারতাম। কন্তিু এখানে একাধকি চা কারখানা হওয়ায় আমাদরে পক্ষে কছিু করা সম্ভব হচ্ছে না। বশ্বিবাজারে যদি পরস্থিতিি স্থতিশিীল হয় তাহলে এটার একটা সুরাহা হব।ে র্বতমানে বদ্যিুৎতরে চাহদিা পকি আওয়ারে ৯০ মগোওয়াট আর সরবরাহ ৬০ মগোওয়াট। অফপকি আওয়ারে চাহদিা ৫৫ মগোওয়াট এবং সরবরাহ ৪০ মগোওয়াট।

নিজস্ব প্রতিবেদক 




























