12:57 am, Tuesday, 9 June 2026

চোরকে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: কুলাউড়ার বমরচালে চিহ্নিত চুরকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সাজানো মামলাসহ নানা ষড়যন্ত্র চলছে । এমন অভিযোগে গতকাল রবিবার দুপরে কুলাউড়ায় এক সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ী মো:জাহাঙ্গীর উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৯ জুন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বরমচালের কলিমাবাদ গ্রামের হাছন মিয়ার ছেলে চিহ্নিত চোর নাইম মিয়া (২১) আমার বসত ঘরে চুরির চেষ্টাকালে তাকে পাকড়াও করে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধরের চেষ্টা করলে আমরা তাকে রক্ষা করি এবং বরমচাল ইউপির মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে অবহিত করি। তাৎক্ষনিক মেম্বার চেয়ারম্যান চুর নাঈমকে ইউনিয়ন পরিষদে আটকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে কুলাউড়া থানার এসআই বিজয় চোরকে থানায় নিয়ে আসেন এবং চুরির মামলা রেকর্ড করে পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরন করে। কিন্তু নাঈমের মা বেদানা ও খালা ছায়মা তাকে উদ্বারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ফুলেরতল বাজারে বাজারের একটি দোকানের সম্মুখে শুয়ে পড়ে। কোনভাবে ঘটনাস্থল থেকে যেতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ তাদেরকে ঐ স্থান থেকে তাদের কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে চিকিৎসক তাদের শরীরে কোন জখমের চিহ্ন না পাওয়ায় পুলিশের কাছে তাদের কাছে অপকৌশলটি ধরা পড়ে। তাদেরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু হাসপাতালে অবস্থানকালীন সময়ে চোর নাঈমের মা বেদানা সামাজিক মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার করেন এবং মানহানির চেষ্টা চালায়।
সংবাদ সম্মেলনে মো:জাহাঙ্গীর উদ্দিন আরও বলেন, এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে চোরের পক্ষ হয়ে একটি মহল তার মা ও খালাকে উসকানি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্র এমনকি মিথ্যে মামলার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে সঠিক ও সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বাস্তবচিত্র তুলে ধরার আহবান জানাচ্ছি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার রবিরবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে ময়লার ভাগাড়- বাড়ছে স্বাস্থ্যেরঝুঁকি

চোরকে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : 09:50:26 am, Sunday, 23 June 2024

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: কুলাউড়ার বমরচালে চিহ্নিত চুরকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সাজানো মামলাসহ নানা ষড়যন্ত্র চলছে । এমন অভিযোগে গতকাল রবিবার দুপরে কুলাউড়ায় এক সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ী মো:জাহাঙ্গীর উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৯ জুন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বরমচালের কলিমাবাদ গ্রামের হাছন মিয়ার ছেলে চিহ্নিত চোর নাইম মিয়া (২১) আমার বসত ঘরে চুরির চেষ্টাকালে তাকে পাকড়াও করে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধরের চেষ্টা করলে আমরা তাকে রক্ষা করি এবং বরমচাল ইউপির মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে অবহিত করি। তাৎক্ষনিক মেম্বার চেয়ারম্যান চুর নাঈমকে ইউনিয়ন পরিষদে আটকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে কুলাউড়া থানার এসআই বিজয় চোরকে থানায় নিয়ে আসেন এবং চুরির মামলা রেকর্ড করে পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরন করে। কিন্তু নাঈমের মা বেদানা ও খালা ছায়মা তাকে উদ্বারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ফুলেরতল বাজারে বাজারের একটি দোকানের সম্মুখে শুয়ে পড়ে। কোনভাবে ঘটনাস্থল থেকে যেতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ তাদেরকে ঐ স্থান থেকে তাদের কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে চিকিৎসক তাদের শরীরে কোন জখমের চিহ্ন না পাওয়ায় পুলিশের কাছে তাদের কাছে অপকৌশলটি ধরা পড়ে। তাদেরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু হাসপাতালে অবস্থানকালীন সময়ে চোর নাঈমের মা বেদানা সামাজিক মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার করেন এবং মানহানির চেষ্টা চালায়।
সংবাদ সম্মেলনে মো:জাহাঙ্গীর উদ্দিন আরও বলেন, এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে চোরের পক্ষ হয়ে একটি মহল তার মা ও খালাকে উসকানি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্র এমনকি মিথ্যে মামলার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে সঠিক ও সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বাস্তবচিত্র তুলে ধরার আহবান জানাচ্ছি।