স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের হত্যার মামলার দীর্ঘ দিন পালাতক আসামী এমদাদুল হক ফাহাদ নামের এক যুবকের নীলফামারীতে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ১৭ মে নীলফামারী সৈয়দপুর পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। লীলফামারী পুলিশ সুত্র জানাযায়, সৈয়দপুর শহরে একটি ফ্লাটে এক রুমে একা ভাড়াটে ছিল। শুক্রবার ১৭ মে তার বন্ধ রুম থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পাশের রুমের ভাড়াটিয়া সৈয়দপুর থানায খবর দিলে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিক ভাবে ডাক্তার জানিয়েছেন দুদিন পুর্বে হিট স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, যা এখন স্পষ্ট নয়। পোস্টমটমের রিপোর্ট আসার পর বিস্তারিত জানাযাবে। মৃত এমদাদুল হক ফাহাদ মৌলভীবাজার সদরের মুসলিম কোয়ার্টারের আব্দুর রব এর পুত্র। সে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের নেতা। তার উপর মৌলভীবাজার মডেল থানায় ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাবাব রহমান হত্যার মামলা রয়েছে। এই মামলায় সে দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে পালাতক ছিল। জানাযায়,১০ জানুয়ারি ২০২৩ সালে অবৈধ্য সরকার পতনের আন্দোলনের কর্মসূচি হিসাবে মৌলভীবাজার পৌর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য আহাদ ভূইয়া তুষার, সিনিয়র যুগ আহবায়ক রুবেল হাসান ও জেলা ছাত্রদলের নেতা এমদাদুল হক ফাহাদ এর নেতৃত্বে কলেজের পাশে ও প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের আয়োজন করে। এই সমাবেশে যুবলীগ ছাত্রলীগ একত্রিত হামলা চালায়। দুই দলে সংঘর্ষে ছাত্র দল ও ছাত্রলীগের ২৫ জন কর্মী আহত হয়। গুরুত্বর আহত ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাবাব রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহত শাবাব রহমান যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ রহমান সুমন এর ছোট ভাইয়ের ছেলে। এই হত্যার ঘটনায় মৌলভীবাজার পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহবায়ক রুবেল হাসান (৩০), মৌলভীবাজার পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য আহাদ ভুইয়া তুষার (৩০), জেলা ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ফাহাদ (৩১), সামিম মিয়া (৩২), কাউসার আহমদ (২৮), জুয়েল আহমদ (২৬), সহ ১৫ জনকে আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা হয়। পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত সামিম মিয়া (৩২), কাউসার আহমদ (২৮), জুয়েল আহমদ (২৬), গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করে। এজাহার ভুক্ত রুবেল হাসান, আহাদ ভূঁইয়া তুষার ও এমদাদুল হক ফাহাদ পলাতক থাকে। এরমধ্যে ১৭ মে দেশের এক প্রান্তরে নীলফামারীর সৈযদপুরে এমদাদুল হক ফাহাদ এর লাশ পাওয়া যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















