ডেস্ক রিপোর্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ফলে গণ-অভ্যুত্থানের দেড় বছর পর নতুন সরকার ও সংসদ পেতে যাচ্ছে দেশ। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) ও মন্ত্রীদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত জাতীয় সংসদ ভবন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে পুরো সংসদ ভবন এলাকা এবং আশপাশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
দলে দলে লোকজন এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আসছেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখতে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
একই দিন বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ ভবন এবং আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
সরেজমিনে সকালে সংসদ ভবন এলাকা ঘুরে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য নানা আয়োজন লক্ষ্য করা যায়। পুরো সংসদ ভবন এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সংসদ ভবনের সবগুলো প্রবেশ গেটে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।
সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়ে অ্যাভিনিউতে একাধিক স্থানে এলিইডি স্ক্রিন ও স্পিকার লাগানো হয়েছে সরাসরি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখতে জনসাধারণের জন্য।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ৭টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর–৩ আসনে নির্বাচন হয়নি এবং জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























