4:39 pm, Wednesday, 13 May 2026

নদীর পাড়ে বাইসাইকেল, গাছে ঝুলছে যুবকের মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মো. আক্কাছ মিয়া (২২) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে তার বাড়ির পাশের ধলাই নদীর পাড়ে গাছের সঙ্গে চাদরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত আক্কাছ মিয়া উপজেলার রামপাশা গ্রামের মো. আবাছ মিয়ার বড় ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে আক্কাছের ছোট ভাই হাসান তাকে খুঁজতে গিয়ে নদীর পাড়ে তার ব্যবহৃত বাইসাইকেল দেখতে পায়। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গাছে ঝুলন্ত আক্কাছের লাশ দেখতে পায়। তার দুই পা মাটিতে লেগে ছিল, যা এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, নিহত আক্কাছ রঙমিস্ত্রি কাজ করতেন। রোববার রাত ৯টায় ভানুগাছ বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে তিনি বাবার কাছ থেকে ৫০ টাকা নেন। রাত ১০টায় বড় চাচা মো. নওশাদ মিয়া তাকে সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসার কাছে দেখতে পান। এরপর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশী মো. শওকত সকালে ৯৯৯–এ ফোন দেন। পরে পুলিশ এসে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নিহতের মা ফাতই বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে আক্কাছের সঙ্গে আদমপুর এলাকার একটি মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তার মোবাইলে ওই মেয়ের ছবি ও আইডি কার্ড পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, ৯৯৯–এ ফোন পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশের সুরতহাল লিপিবদ্ধ করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নদীর পাড়ে বাইসাইকেল, গাছে ঝুলছে যুবকের মরদেহ

Update Time : 09:44:36 am, Monday, 8 December 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মো. আক্কাছ মিয়া (২২) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে তার বাড়ির পাশের ধলাই নদীর পাড়ে গাছের সঙ্গে চাদরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত আক্কাছ মিয়া উপজেলার রামপাশা গ্রামের মো. আবাছ মিয়ার বড় ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে আক্কাছের ছোট ভাই হাসান তাকে খুঁজতে গিয়ে নদীর পাড়ে তার ব্যবহৃত বাইসাইকেল দেখতে পায়। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গাছে ঝুলন্ত আক্কাছের লাশ দেখতে পায়। তার দুই পা মাটিতে লেগে ছিল, যা এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, নিহত আক্কাছ রঙমিস্ত্রি কাজ করতেন। রোববার রাত ৯টায় ভানুগাছ বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে তিনি বাবার কাছ থেকে ৫০ টাকা নেন। রাত ১০টায় বড় চাচা মো. নওশাদ মিয়া তাকে সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসার কাছে দেখতে পান। এরপর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশী মো. শওকত সকালে ৯৯৯–এ ফোন দেন। পরে পুলিশ এসে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নিহতের মা ফাতই বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে আক্কাছের সঙ্গে আদমপুর এলাকার একটি মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তার মোবাইলে ওই মেয়ের ছবি ও আইডি কার্ড পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, ৯৯৯–এ ফোন পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশের সুরতহাল লিপিবদ্ধ করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।