3:14 am, Saturday, 20 June 2026

কমলগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। করোনার ধাক্কায় গত দুই বছর বিবর্ণ ছিলো ঈদবাজার। কেনাকাটা তেমন হয়নি গেলো চার ঈদে। তবে এবার পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন। করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসা ও বিধিনিষেধ না থাকায় মানুষজন ঈদে কেনাকাটা করতে হাটবাজারের বিপণীবিতান ও শপিং মলে ভিড় করছেন। নতুন নতুন পোশাকে আবারও ঈদকে রঙিন করে তোলার এই তো সুযোগ এসেছে সামনে। পবিত্র ঈদ উল ফিতরের বাকি হাতেগোনা আর কয়েকদিন।
মুসলিম স¤প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে কমলগঞ্জ উপজেলার হাটবাজারগুলো। প্রতিটি মার্কেট আর শপিং মলে লাল-নীল বাতির আলোয় উজ্জ্বল এই বাজারগুলো। সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। কেনাকাটায় ছন্দ ফিরে আসায় খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। গত দুইবছর করোনার প্রকোপে ব্যবসা হয়নি বললেই চলে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে প্রিয়জনের জন্য নতুন জামা কিনতে পেরে হাসি ফুটছে ক্রেতাদের মুখেও।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ভানুগাছ বাজার, আদমপুর বাজার, শমশেরনগর, মুন্সীবাজার ও শহীদনগর বাজার এলাকায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ভিড় চোখে পড়েছে আবার দর্জির দোকানগুলোতেও।
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠে দুই বছর পর ব্যবসায় গতি ফিরে আসায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। উপজেলার শমশেরনগরের এ আর কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ী মা-মনি ফ্যাশন হাউজ ও রংধনু ফেব্রিক্সএর মালিক তারেক আহমদ রিপন বলেন, এবার ঈদে বেচাকেনা ভালো আছে। তবে এখন দিনের বেলায় ক্রেতারা বেশি আসছেন। আশা করছি রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।
শপিং করতে আশা রাহেলা বেগম, পলি আক্তার, ফাতেমা বেগম জানান, এবার পছন্দের সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটে আর দাম একটু বেশি হলেও পছন্দের জামা কিনেছি। একই বিপণীবিতানের বিক্রেতা গেধু মিয়া জানান, এবারে বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি আমাদের আশা বাড়িয়ে তুলেছে। দুই বছর ব্যবসা করতে পারিনি। এবার সে দুঃখ ভুলতে পারবো।
এদিকে ঈদ বাজারকে নির্বিঘেœ করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াদৌস হাসান জানান,দশ রমজানের পর থেকেই উপজেলার প্রতিটি মার্কেট ও বিপনি বিতানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা নজরদারি রাখছে। কোন প্রকার সমস্যা যাতে না হয় সেদিকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের নজর রয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বলেন,ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা যাতে করে অতিরিক্ত দাম না রাখতে পারে সেদিকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের নজরদারী রয়েছে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে “মাদকাসক্তিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ভ‚মিকা” শীর্ষক কর্মশালা এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণে গণশুনানি-২০২৬

কমলগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

Update Time : 01:16:38 pm, Friday, 22 April 2022

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। করোনার ধাক্কায় গত দুই বছর বিবর্ণ ছিলো ঈদবাজার। কেনাকাটা তেমন হয়নি গেলো চার ঈদে। তবে এবার পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন। করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসা ও বিধিনিষেধ না থাকায় মানুষজন ঈদে কেনাকাটা করতে হাটবাজারের বিপণীবিতান ও শপিং মলে ভিড় করছেন। নতুন নতুন পোশাকে আবারও ঈদকে রঙিন করে তোলার এই তো সুযোগ এসেছে সামনে। পবিত্র ঈদ উল ফিতরের বাকি হাতেগোনা আর কয়েকদিন।
মুসলিম স¤প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে কমলগঞ্জ উপজেলার হাটবাজারগুলো। প্রতিটি মার্কেট আর শপিং মলে লাল-নীল বাতির আলোয় উজ্জ্বল এই বাজারগুলো। সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। কেনাকাটায় ছন্দ ফিরে আসায় খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। গত দুইবছর করোনার প্রকোপে ব্যবসা হয়নি বললেই চলে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে প্রিয়জনের জন্য নতুন জামা কিনতে পেরে হাসি ফুটছে ক্রেতাদের মুখেও।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ভানুগাছ বাজার, আদমপুর বাজার, শমশেরনগর, মুন্সীবাজার ও শহীদনগর বাজার এলাকায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ভিড় চোখে পড়েছে আবার দর্জির দোকানগুলোতেও।
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠে দুই বছর পর ব্যবসায় গতি ফিরে আসায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। উপজেলার শমশেরনগরের এ আর কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ী মা-মনি ফ্যাশন হাউজ ও রংধনু ফেব্রিক্সএর মালিক তারেক আহমদ রিপন বলেন, এবার ঈদে বেচাকেনা ভালো আছে। তবে এখন দিনের বেলায় ক্রেতারা বেশি আসছেন। আশা করছি রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।
শপিং করতে আশা রাহেলা বেগম, পলি আক্তার, ফাতেমা বেগম জানান, এবার পছন্দের সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটে আর দাম একটু বেশি হলেও পছন্দের জামা কিনেছি। একই বিপণীবিতানের বিক্রেতা গেধু মিয়া জানান, এবারে বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি আমাদের আশা বাড়িয়ে তুলেছে। দুই বছর ব্যবসা করতে পারিনি। এবার সে দুঃখ ভুলতে পারবো।
এদিকে ঈদ বাজারকে নির্বিঘেœ করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াদৌস হাসান জানান,দশ রমজানের পর থেকেই উপজেলার প্রতিটি মার্কেট ও বিপনি বিতানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা নজরদারি রাখছে। কোন প্রকার সমস্যা যাতে না হয় সেদিকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের নজর রয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বলেন,ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা যাতে করে অতিরিক্ত দাম না রাখতে পারে সেদিকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের নজরদারী রয়েছে।