স্টাফ রিপোর্টার : বেপরোয়া হয়ে উঠেছে গরু চোরেরা। তাদের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে এলাকার মানুষ। প্রতিরাতেই কোনো না কোনো এলাকায় হানা দিচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরের দল। গভীর রাতে গোয়াল ঘর থেকে গরু চুরি করে নম্বরবিহীন ট্রাক, চাঁদের গাড়ি, পিকাপ, সিএনজিতে উঠিয়ে নিয়ে যায় চোরেরা। আর এসব ঘটনায় খুব কম সংখ্যক মামলাই রেকর্ডভুক্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিকার পাবেন না এ আশংকা বা পুলিশি হয়রানির ভয়ে থানায় অভিযোগও দেন না। ফলে চোরের দল পার পেয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শ্যামেরকোনা গ্রামের পুলিশ সদস্য অনিক করের বাড়িতে ৪টি গরু চুরি ও একটি গাভী গরুকে টেনে হেচরে নিতে গিয়ে মৃত হয়। চুরেরা মৃত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এর আগে এলাকায় অনন্ত আরো কয়েকজনের বাড়ি থেকে গোয়াল ঘর থেকে চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (১০জুলাই ) দিবাগত রাতে পুলিশ সদস্যের বাবা মৌলভীবাজার উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শ্যামেরকোনা গ্রামের বাসিন্দা অরুন কর ভোর ৫টার দিকে উঠে দেখেন গোয়ল ঘরের তালা ভাঙা । পরে ভেতরে ঢুকে দেখেন ৪ টি গরু নেই গোয়াল ঘরে। আশ পাশের লোকজন খবর ে পেেয় আসেন। জানা গেছে ৩ টি গাভী গরুর রং মাকরা ও একটি ডেকা গরুর রং সাদা কালো । যাহার মুল্য ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকার উর্ধে ।
একাদি গরুর মালিক জানান, বেশিরভাগ সময়ই ঘরে তালা ভেঙ্গে গরু চুরি হয়ে থাকে। আমরা চুরির খবর শোনে সবাই খুজতে তাকলে একটি গাভী গরু মৃত অবস্থায় রাস্তার পাশে দেখতে পাই। বাকি ৩টি গরু চুর নিয়ে যায় ।
এরদিকে জেলার একাদিক ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, গরুর ঘর থেকে রশি কেটে অথবা খুলে গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। রাতে গাড়ির ভেতরে গরু দেখলে আটক করতে ভয় পায় জনতা। কারণ পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়। ফলে কাউকে আটক করা হয় না। যে কারণে সহজে পার পেয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরের দল।
মৌলভীবাজার থানার তদন্ত অফিসার এস আই নাজমুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং বলেন আমরা দ্রুত চোরদের ধরার চেষ্টা করবো ।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















