স্টাফ রিপোর্টার :: মজুরী বৃদ্ধির দাবিতে টানা ১৮ দিন কমবিরতি, মিছিল মিটিং করার পর চা শ্রমিকরা আজ কোন কর্মসূচীতে যায়নি।
তাঁরা বিকেলে বঙ্গভবনে বাগান মালিকদের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত আসে তার অপেক্ষা রয়েছে।
চা শ্রমিকরা মনে করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চা শ্রমিকদের ভোটের অধিকার দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে চা শ্রমিকরা আজীবন আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে আসছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শ্রমিকদের মানবিক দিক, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে একটা মানসম্মত মজুরীর ঘোষণা দেবেন। যাতে চা শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন আলোর মুখ দেখে এবং চা শ্রমিকরা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়।
এদিকে আজ সকাল থেকেই বাগানগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। অন্যান্য দিন বিচ্ছিন্নভাবে শ্রমিকদের নিজেদের কাজকর্ম ও চলাফেরা করতে দেখা গেলেও আজ সেই উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা।
শ্রমিক নেতাদের মধ্যে অনেকের সাথে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউৃনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা মানসম্মত মজুরী ঘোষণা করলেই আমরা উপকৃত হবো এবং দীর্ঘদিনের এই আন্দোলনের অবসান হবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট থেকে দৈনিক মজুরী ৩শ’ টাকার দাবিতে মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানসহ দেশের ১৬৭টি চা বাগানে শ্রমিকরা কর্মবিরতি, মিছিল মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচী চালিয়ে গেছে। সর্বশেষ গত ২১ আগস্ট গভীর রাতে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে চা শ্রমিক নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা দৈনিক মজুরীর বিষয়টি শ্রমিক নেতারা মেনে নিলেও সাধারণ শ্রমিকরা তা না মেনে কমবিরতিসহ বিভিন্ন আন্দোলন করে আসছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসলে আজ শনিবার গনভবনে বাগান মালিকদের ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















