11:22 am, Wednesday, 22 April 2026

বিকেল ৫ টার মধ্যে মৌলভীবাজার শহরের বর্জ্য অপসারণ

স্টাফ রিপোর্টার :: বিকাল ৫ টার মধ্যে এবারও মৌলভীবাজার শহরের বর্জ্য অপসারণ হলো। সন্ধ্যার পর শহরে কোরবানির রক্ত-গন্ধ, বর্জ্য থাকবে না। বরাবরের মতো আগে থেকেই এবারও এমনটা জানিয়েছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান।

কেউ যেন নতুন করে যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই করে পরিবেশ দূষণ না করেন এবং রাস্তাঘাটে, ড্রেনে, খাল বা ছড়ায় কোরবানির বর্জ্য না ফেলতে শহরবাসীর প্রতি আহবান জানান মেয়র।

মেয়র ফজলুর রহমান বলেন- সময়ের মধ্যে শহরের রাস্তাঘাট-অলিগলি তকতকে-ঝকঝকে ও কোরবানির রক্তের বর্জ্য-গন্ধমুক্ত করা হেয়েছে। বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবাণুমুক্তকরণে নগরজুড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।

মেয়র ফজলুর রহমান জানান, তিনি নিজে এবং জ্যেষ্ঠ কাউন্সিলর জালাল আহমদ এবং সালেহ আহমদ পাপ্পু সার্বক্ষণিক বর্জ্য অপসারণ কাজ তদারকি করেন। দুপুর ২ টা থেকে পৌরসভার ১৪টি পিকআপে বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু হয়। প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। প্রতিটি টিমে একজন করে সুপারভাইজার কাজ করেন। এছাড়াও আরো তিনজন সুপারভাইজার কাজ তদারকি করেন।

মেয়র জানান, ‘পৌরসভার গাড়ি প্রতিটি এলাকায় গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করে ডাম্পিং স্টেশনে ফেলে। সড়কে ব্লিচিং দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে দেয়া হয়।

কোনোভাবেই কোদালিছড়ায় বর্জ্য না ফেলার অনুরোধ করেন মেয়র। তিনি বলেন- ‘পরিবেশ দূষিত করবেন না।’

মেয়র বলেন- পরিচ্ছন্ন-দুর্গন্ধমুক্ত এবং জলাবদ্ধতামুক্ত শহর গড়তে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনোভাবেই ময়লা-বর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন ড্রেনে, খোলা স্থানে ফেলা যাবে না। কোদালিছড়ায় তো অবশ্যই নয়। ময়লা-বর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলতে অনুরোধ জানান মেয়র।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

বিকেল ৫ টার মধ্যে মৌলভীবাজার শহরের বর্জ্য অপসারণ

Update Time : 09:11:15 am, Sunday, 10 July 2022

স্টাফ রিপোর্টার :: বিকাল ৫ টার মধ্যে এবারও মৌলভীবাজার শহরের বর্জ্য অপসারণ হলো। সন্ধ্যার পর শহরে কোরবানির রক্ত-গন্ধ, বর্জ্য থাকবে না। বরাবরের মতো আগে থেকেই এবারও এমনটা জানিয়েছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান।

কেউ যেন নতুন করে যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই করে পরিবেশ দূষণ না করেন এবং রাস্তাঘাটে, ড্রেনে, খাল বা ছড়ায় কোরবানির বর্জ্য না ফেলতে শহরবাসীর প্রতি আহবান জানান মেয়র।

মেয়র ফজলুর রহমান বলেন- সময়ের মধ্যে শহরের রাস্তাঘাট-অলিগলি তকতকে-ঝকঝকে ও কোরবানির রক্তের বর্জ্য-গন্ধমুক্ত করা হেয়েছে। বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবাণুমুক্তকরণে নগরজুড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।

মেয়র ফজলুর রহমান জানান, তিনি নিজে এবং জ্যেষ্ঠ কাউন্সিলর জালাল আহমদ এবং সালেহ আহমদ পাপ্পু সার্বক্ষণিক বর্জ্য অপসারণ কাজ তদারকি করেন। দুপুর ২ টা থেকে পৌরসভার ১৪টি পিকআপে বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু হয়। প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। প্রতিটি টিমে একজন করে সুপারভাইজার কাজ করেন। এছাড়াও আরো তিনজন সুপারভাইজার কাজ তদারকি করেন।

মেয়র জানান, ‘পৌরসভার গাড়ি প্রতিটি এলাকায় গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করে ডাম্পিং স্টেশনে ফেলে। সড়কে ব্লিচিং দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে দেয়া হয়।

কোনোভাবেই কোদালিছড়ায় বর্জ্য না ফেলার অনুরোধ করেন মেয়র। তিনি বলেন- ‘পরিবেশ দূষিত করবেন না।’

মেয়র বলেন- পরিচ্ছন্ন-দুর্গন্ধমুক্ত এবং জলাবদ্ধতামুক্ত শহর গড়তে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনোভাবেই ময়লা-বর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন ড্রেনে, খোলা স্থানে ফেলা যাবে না। কোদালিছড়ায় তো অবশ্যই নয়। ময়লা-বর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলতে অনুরোধ জানান মেয়র।