7:25 am, Tuesday, 4 August 2026

বিদ্যুৎহীন হবিগঞ্জের ৬০ হাজার পরিবার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের ৪টি উপজেলায় পানিবন্দী এ পরিবারগুলো দুর্ভোগের সঙ্গে জীবন যাপন করছে।হবিগঞ্জ জেলার বন্যা কবলিত উপজেলা গুলোর ৬০ হাজার পরিবারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

মূলত বন্যা কবলিত এলাকায় সংযোগ সচল থাকলে দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে, তাই প্রাণহানী এড়াতে সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না যন্ত্রপাতি বিকল থাকার কারণে।

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল তালুকদার বলেন, গত শুক্রবার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পানি ঢুকতে থাকে। এর প্রভাবে বানিয়াচং, লাখাই, আজমিরীগঞ্জ ও নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন নবীগঞ্জ উপজেলায়। এ উপজেলার ৪১ হাজার এবং বাকী তিনটি উপজেলায় ১৯ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন।

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ এলাকার কামরুল ইসলাম জানান, বন্যা শুরুর দিন থেকে ৭ দিন ধরে তাদের ঘরে বিদ্যুৎ নেই। উপজেলা সদরে এসে মুঠোফোন চার্জ দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ সম্পর্কিত অন্য সব সুবিধা থেকে স্থানীয়রা বঞ্চিত। বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ এবং লাখাই উপজেলার আরও কয়েকজন গ্রাহক এ সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মোতাহার হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে মাইলের পর মাইল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বিদ্যুতের তারের আশপাশে পানি এসেছে। এজন্য বিপদ এড়াতে অনেক এলাকায় সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় ট্রান্সফরমার বিকল এবং লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্যও সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বিল আদায়ের ক্ষেত্রে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে বিলের কাগজ পৌঁছে দেওয়া যায়নি। গত মাসের মিটারও রিডিং করা যাচ্ছে না। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

৬ সপ্তাহ ধরে মজুরি বন্ধ, পেটে ভাত নেই, কারখানার গেটে চা-শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

বিদ্যুৎহীন হবিগঞ্জের ৬০ হাজার পরিবার

Update Time : 07:51:10 am, Friday, 24 June 2022

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের ৪টি উপজেলায় পানিবন্দী এ পরিবারগুলো দুর্ভোগের সঙ্গে জীবন যাপন করছে।হবিগঞ্জ জেলার বন্যা কবলিত উপজেলা গুলোর ৬০ হাজার পরিবারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

মূলত বন্যা কবলিত এলাকায় সংযোগ সচল থাকলে দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে, তাই প্রাণহানী এড়াতে সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না যন্ত্রপাতি বিকল থাকার কারণে।

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল তালুকদার বলেন, গত শুক্রবার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পানি ঢুকতে থাকে। এর প্রভাবে বানিয়াচং, লাখাই, আজমিরীগঞ্জ ও নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন নবীগঞ্জ উপজেলায়। এ উপজেলার ৪১ হাজার এবং বাকী তিনটি উপজেলায় ১৯ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন।

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ এলাকার কামরুল ইসলাম জানান, বন্যা শুরুর দিন থেকে ৭ দিন ধরে তাদের ঘরে বিদ্যুৎ নেই। উপজেলা সদরে এসে মুঠোফোন চার্জ দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ সম্পর্কিত অন্য সব সুবিধা থেকে স্থানীয়রা বঞ্চিত। বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ এবং লাখাই উপজেলার আরও কয়েকজন গ্রাহক এ সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মোতাহার হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে মাইলের পর মাইল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বিদ্যুতের তারের আশপাশে পানি এসেছে। এজন্য বিপদ এড়াতে অনেক এলাকায় সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় ট্রান্সফরমার বিকল এবং লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্যও সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বিল আদায়ের ক্ষেত্রে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে বিলের কাগজ পৌঁছে দেওয়া যায়নি। গত মাসের মিটারও রিডিং করা যাচ্ছে না। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।