8:25 am, Saturday, 27 June 2026

বিশ্বে অনাহারের মুখে ৩৪ কোটি মানুষ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: বিশ্বে অনাহারের মুখে থাকা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেন-যুদ্ধ এই সংকট আরও বাড়িয়েছে।

২০২২ সালের গোড়ায় অনাহারের মুখে থাকা মানুষের সংখ্যা ছিল ২৭ কোটি ৬০ লাখ। করোনার আগে সংখ্যাটা ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ। করোনা ও যুদ্ধ বিশ্বের বিপুল সংখ্যক মানুষকে অনাহারের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে।

জাতিসংঘের রিপোর্ট বলছে, আগামী মাসগুলিতে নিরন্ন মানুষের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি ভয়ংকর জায়গায় চলে যেতে পারে।

মোট ৪৫টি দেশের পাঁচ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে এক পা দূরে দাঁড়িয়ে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের মতে, এটা রীতিমতো চিন্তার বিষয়। জাতিসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আফ্রিকার।

কেন এই অবস্থা?
জাতিসংঘের রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধ, জলবায়ুর পরিবর্তন, করোনার কারণে এত মানুষ অনাহারের মুখে দাঁড়িয়ে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সাপ্লাই চেন-এর উপর ভয়ংকর চাপ পড়েছে। ইউক্রেন থেকে দানাশষ্য ও তেল আনা যাচ্ছে না। উপরের ছবিতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনের একটি শহরের অবস্থা।

রাশিয়া ও ইউক্রেন মিলে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ গম উৎপাদন করে, বিশ্বের অর্ধেক সূর্যমুখি তেলের উৎপাদক তারা। রাশিয়া ও বেলারুশ থেকে সবচেয়ে বেশি পটাশ বিশ্বের অন্য দেশে যায়। তবে এখন যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেন।

এই অবস্থায় জাতিসংঘের আবেদন, ইউক্রেন থেকে যাতে দানাশষ্য ও তেল অন্য দেশে পাঠানো যায়, তার ব্যবস্থা করা দরকার। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। নিরন্ন মানুষের সংখ্যা এখন রকেটের গতিতে বাড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে কোনো ব্যবস্থা না নিলে, ইউক্রেন-যুদ্ধের প্রভাব ভয়ংকর জায়গায় যাবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নান্দুয়া ব্রিজের নিচে অবাধে মাটি কাটা, ঝুঁকিতে সড়ক ও সেতু

বিশ্বে অনাহারের মুখে ৩৪ কোটি মানুষ

Update Time : 07:12:48 am, Friday, 8 July 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: বিশ্বে অনাহারের মুখে থাকা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেন-যুদ্ধ এই সংকট আরও বাড়িয়েছে।

২০২২ সালের গোড়ায় অনাহারের মুখে থাকা মানুষের সংখ্যা ছিল ২৭ কোটি ৬০ লাখ। করোনার আগে সংখ্যাটা ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ। করোনা ও যুদ্ধ বিশ্বের বিপুল সংখ্যক মানুষকে অনাহারের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে।

জাতিসংঘের রিপোর্ট বলছে, আগামী মাসগুলিতে নিরন্ন মানুষের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি ভয়ংকর জায়গায় চলে যেতে পারে।

মোট ৪৫টি দেশের পাঁচ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে এক পা দূরে দাঁড়িয়ে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের মতে, এটা রীতিমতো চিন্তার বিষয়। জাতিসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আফ্রিকার।

কেন এই অবস্থা?
জাতিসংঘের রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধ, জলবায়ুর পরিবর্তন, করোনার কারণে এত মানুষ অনাহারের মুখে দাঁড়িয়ে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সাপ্লাই চেন-এর উপর ভয়ংকর চাপ পড়েছে। ইউক্রেন থেকে দানাশষ্য ও তেল আনা যাচ্ছে না। উপরের ছবিতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনের একটি শহরের অবস্থা।

রাশিয়া ও ইউক্রেন মিলে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ গম উৎপাদন করে, বিশ্বের অর্ধেক সূর্যমুখি তেলের উৎপাদক তারা। রাশিয়া ও বেলারুশ থেকে সবচেয়ে বেশি পটাশ বিশ্বের অন্য দেশে যায়। তবে এখন যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেন।

এই অবস্থায় জাতিসংঘের আবেদন, ইউক্রেন থেকে যাতে দানাশষ্য ও তেল অন্য দেশে পাঠানো যায়, তার ব্যবস্থা করা দরকার। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। নিরন্ন মানুষের সংখ্যা এখন রকেটের গতিতে বাড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে কোনো ব্যবস্থা না নিলে, ইউক্রেন-যুদ্ধের প্রভাব ভয়ংকর জায়গায় যাবে।