স্টাফ রিপোর্ট : বড়লেখায় এক গৃহবধু বাবার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে জালালাবাদ গ্যাসের অসাধু কর্মচারিরা তার ব্যবহৃত দ্বৈত চুলার আবাসিক গ্যাস সংযোগ রাতের আধারে অবৈধভাবে পাশের বাড়ির আরেক ব্যক্তির ঘরে স্থানান্তর করে দিয়েছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধু তাহমিদা আক্তার রুবি থানায় ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড কুলাউড়ার ম্যানেজার বরাবরে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার মাধবগুল গ্রামের প্রবাসী আমীর আলীর বাবা মৃত হবিব আলীর নামীয় গ্রাহক সংকেত নং-১২০১০১৭৪৬ আবাসিক গ্যাস সংযোগ পিতার জীবদ্দশার আমোক্তার নামায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছেন। তিনি যাথারীতি গ্যাস বিলও পরিশোধ করে যাচ্ছেন। প্রবাসী আমীর আলীর স্ত্রী গৃহবধু তাহমিদা আক্তার রুবি গত ২২ মে বাবার বাড়িতে গেলে গ্যাস অফিসের লোকজন বিরাট অঙ্কের ঘুসের বিনিময়ে রাতের আধারে তাদের গ্যাস সংযোগ পার্শবর্তী আকবর আলীর ঘরে স্থান্তান্তর করে দিয়েছেন। জানা গেছে, বেশ কয়েক বছর ধরে নতুন সংযোগ সহ সবধরণের স্থানান্তর বন্ধ রয়েছে।
ভুক্তভোগী গৃহবধু তাহমিদা আক্তার রুবি জানান, তার শ্বশুড়ের নামের আবাসিক গ্যাস সংযোগ (দ্বৈত চুলা) শ্বশুড় জীবিত থাকা অবস্থায় আমাদেরকে দিয়ে যান। কয়েক বছর ধরে ব্যবহার করছি। শ্বশুড় মো. হবিব আলী লিখিতভাবে গ্যাস অফিসে সম্মতি দিয়ে গেছেন। আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে গ্যাসের লোকজন আমার দ্বৈত চুলা গ্যাস লাইন অবৈধভাবে রাতের আধারে পার্শবর্তী আকবর আলীর ঘরে স্থান্তান্তর করে দিয়েছেন। এব্যাপারে কথা বলায় আকবর আলী আমাকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। পুনঃসংযোগের জন্য বড়লেখা গ্যাস অফিসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করছেন। থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে সত্যতা পেয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























