5:42 am, Tuesday, 27 October 2026

মাসুদ রানার প্রেমে সবাই পড়ুক, এটাই চাই : সুমন

ডেস্ক রিপোর্ট : লম্বা জার্নির প্রায় শেষ প্রান্তে ‘এমআর-৯’ টিম। দু’দিন পরই (২৫ আগস্ট) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। তাই প্রত্যেকের মনেই স্বস্তি এবং উচ্ছ্বাসের মাত্রা প্রায় সমান। একদিকে দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমের ফল দর্শকের হাতে তুলে দেয়ার উচ্ছ্বাস, আবার সেই দর্শক কেমনভাবে তা গ্রহণ করবেন, এই ভাবনাও কাজ করছে তাদের মনে। ছবির মূল তারকা এবিএম সুমনের কথায় অন্তত এরকমই আভাস পাওয়া গেলো।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ‘এমআর-৯’ সিনেমার সংশ্লিষ্টরা। সেখানেই পর্দার মাসুদ রানা তথা এবিএম সুমন বলেন, ‘নিজেকে ফ্রোজেন মনে হচ্ছে। এত কিছুর পর অবশেষে সিনেমাটি আসছে। এই অনুভূতি বোঝানোর মতো ভাষা আমার কাছে নেই। এর আগে এত বড় সিনেমায় লিড করার সুযোগ হয়নি, এটাই হয়ত এমন উচ্ছ্বাসের কারণ। আর ছবিটা দেখার পর মাসুদ রানার প্রেমে সবাই পড়ুক, এটাই চাই। সবাই যদি প্রেমে না পড়ে, তাহলে এটা করে আর লাভ কী!’

তবে কাজটি শুরুর আগে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন সুমন। করোনা মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর ধরে ঝুলে ছিল এর কাজ। সুমনের ভাষ্য, ‘কোভিডের সময় প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ছিলাম। মনে হতো, আসলেই কি ছবিটা হবে! তবে নির্মাতা আসিফ আকবর সবসময় আমার পাশে ছিল, উৎসাহ দিয়েছে।’

মঙ্গলবারের সন্ধ্যায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছবিটির নির্মাতা আসিফ আকবর, চিত্রনাট্যকার নাজিম উদ দৌলা, প্রযোজক আব্দুল আজিজ, অভিনেতা-প্রযোজক নিকো ফস্টারসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, “আজ (২২ আগস্ট) ‘এমআর-৯’র ইংরেজি ভার্সন সেন্সর পেয়েছে। এটি দেশের সবগুলো সিনেপ্লেক্সে চলবে। আর বাংলা ডাবিং করা অংশ যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে সেন্সর পাই, তবে সিঙ্গেল স্ক্রিনেও মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে বাংলা ভার্সনটি দ্বিতীয় সপ্তাহে আসবে।”

বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে ‘এমআর-৯’। সেখানে ছবিটি পরিবেশনা করছে স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উত্তর আমেরিকার ১৫১টি সিনেমা হলে চলবে ছবিটি।

উল্লেখ্য, এই সিনেমায় এবিএম সুমন ও নিকো ফস্টার ছাড়াও অভিনয় করেছেন সাক্ষী প্রধান, শহীদুল আলম সাচ্চু, আনিসুর রহমান মিলন, জেসিয়া ইসলাম, টাইগার রবি, মাইকেল জেই হোয়াইট, ম্যাট পাসমোর, ওলেগ প্রাডিউস, কেলি গ্রেসন প্রমুখ। ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন গ্র্যামিজয়ী ভারতীয় সংগীতশিল্পী রিকি কেজ। প্রযোজনায় জাজ মাল্টিমিডিয়া, আল ব্রাভো ফিল্মস ও চেজিং বাটারফ্লাইস পিকচারস।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মাসুদ রানার প্রেমে সবাই পড়ুক, এটাই চাই : সুমন

Update Time : 07:29:36 am, Wednesday, 23 August 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : লম্বা জার্নির প্রায় শেষ প্রান্তে ‘এমআর-৯’ টিম। দু’দিন পরই (২৫ আগস্ট) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। তাই প্রত্যেকের মনেই স্বস্তি এবং উচ্ছ্বাসের মাত্রা প্রায় সমান। একদিকে দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমের ফল দর্শকের হাতে তুলে দেয়ার উচ্ছ্বাস, আবার সেই দর্শক কেমনভাবে তা গ্রহণ করবেন, এই ভাবনাও কাজ করছে তাদের মনে। ছবির মূল তারকা এবিএম সুমনের কথায় অন্তত এরকমই আভাস পাওয়া গেলো।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ‘এমআর-৯’ সিনেমার সংশ্লিষ্টরা। সেখানেই পর্দার মাসুদ রানা তথা এবিএম সুমন বলেন, ‘নিজেকে ফ্রোজেন মনে হচ্ছে। এত কিছুর পর অবশেষে সিনেমাটি আসছে। এই অনুভূতি বোঝানোর মতো ভাষা আমার কাছে নেই। এর আগে এত বড় সিনেমায় লিড করার সুযোগ হয়নি, এটাই হয়ত এমন উচ্ছ্বাসের কারণ। আর ছবিটা দেখার পর মাসুদ রানার প্রেমে সবাই পড়ুক, এটাই চাই। সবাই যদি প্রেমে না পড়ে, তাহলে এটা করে আর লাভ কী!’

তবে কাজটি শুরুর আগে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন সুমন। করোনা মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর ধরে ঝুলে ছিল এর কাজ। সুমনের ভাষ্য, ‘কোভিডের সময় প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ছিলাম। মনে হতো, আসলেই কি ছবিটা হবে! তবে নির্মাতা আসিফ আকবর সবসময় আমার পাশে ছিল, উৎসাহ দিয়েছে।’

মঙ্গলবারের সন্ধ্যায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছবিটির নির্মাতা আসিফ আকবর, চিত্রনাট্যকার নাজিম উদ দৌলা, প্রযোজক আব্দুল আজিজ, অভিনেতা-প্রযোজক নিকো ফস্টারসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, “আজ (২২ আগস্ট) ‘এমআর-৯’র ইংরেজি ভার্সন সেন্সর পেয়েছে। এটি দেশের সবগুলো সিনেপ্লেক্সে চলবে। আর বাংলা ডাবিং করা অংশ যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে সেন্সর পাই, তবে সিঙ্গেল স্ক্রিনেও মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে বাংলা ভার্সনটি দ্বিতীয় সপ্তাহে আসবে।”

বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে ‘এমআর-৯’। সেখানে ছবিটি পরিবেশনা করছে স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উত্তর আমেরিকার ১৫১টি সিনেমা হলে চলবে ছবিটি।

উল্লেখ্য, এই সিনেমায় এবিএম সুমন ও নিকো ফস্টার ছাড়াও অভিনয় করেছেন সাক্ষী প্রধান, শহীদুল আলম সাচ্চু, আনিসুর রহমান মিলন, জেসিয়া ইসলাম, টাইগার রবি, মাইকেল জেই হোয়াইট, ম্যাট পাসমোর, ওলেগ প্রাডিউস, কেলি গ্রেসন প্রমুখ। ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন গ্র্যামিজয়ী ভারতীয় সংগীতশিল্পী রিকি কেজ। প্রযোজনায় জাজ মাল্টিমিডিয়া, আল ব্রাভো ফিল্মস ও চেজিং বাটারফ্লাইস পিকচারস।