2:32 am, Friday, 5 June 2026

মিরপুরে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গে পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজধানীর মিরপুরে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাক শ্রমিকরা।

এরপর রোববার (৫ জুন) দুপুরে লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে শ্রমিকরা কাজীপাড়ার দিকে চলে যান। এসময় দুই নারী কর্মী আহত হন। এরপর দুপুর দেড়টার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে মিরপুর-১০ নম্বর।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের গোল চত্বর এবং ১৩ ও ১৪ নম্বরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কয়েকশ পোশাক শ্রমিক। মিরপুরের আশপাশের পোশাক শ্রমিকরাও এতে যোগ দেন।

বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকরা নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীরের গাড়ি আটকে রাখেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশের সাহায্যে শ্রমিকদের হাত থেকে ছাড়া পান তিনি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মাহবুব বলেন, সকাল থেকেই আমরা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা দুপুরের দিকে বিভিন্ন স্থাপনা ও গাড়ি ভাঙচুর করলে তাদের থামানোর চেষ্টা করি। শেষে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

ছুটি নেব কিনা? এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিরপুরে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গে পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ

Update Time : 10:59:47 am, Sunday, 5 June 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজধানীর মিরপুরে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাক শ্রমিকরা।

এরপর রোববার (৫ জুন) দুপুরে লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে শ্রমিকরা কাজীপাড়ার দিকে চলে যান। এসময় দুই নারী কর্মী আহত হন। এরপর দুপুর দেড়টার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে মিরপুর-১০ নম্বর।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের গোল চত্বর এবং ১৩ ও ১৪ নম্বরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কয়েকশ পোশাক শ্রমিক। মিরপুরের আশপাশের পোশাক শ্রমিকরাও এতে যোগ দেন।

বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকরা নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীরের গাড়ি আটকে রাখেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশের সাহায্যে শ্রমিকদের হাত থেকে ছাড়া পান তিনি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মাহবুব বলেন, সকাল থেকেই আমরা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা দুপুরের দিকে বিভিন্ন স্থাপনা ও গাড়ি ভাঙচুর করলে তাদের থামানোর চেষ্টা করি। শেষে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।