বিশেষ প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের শিলুয়া কচুরগুল সীমান্ত এলাকায় বৃহষ্পতিবার কয়েকজন অনুপ্রবেশ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপ্রচার করা হয়েছে।
এবিষয়ে সিলেট বিয়ানীবাজার বিজিবি ব্যাটালিয়ন ৫২অধিনায়ক লে: বর্ণেল আতাউর রহমান বলেন- সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘অনুপ্রবেশ’-এর প্রচেষ্টা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করছে।
বিজিবির এই অনুপ্রবেশ সম্পর্কিত সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে ভারতীয় সমর্থক একটি গ্রুপ কাজ করে যাচ্ছে। যারা ভারতীয় বিএসএফের সাথে মিলিত হয় অনুপ্রবেশে সহায়তা করছে। এ চক্রের সদস্যরা বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ কার্যক্রমে সহায়তা করছে। বিশেষ করে মৌলভীবাজারের সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চল ব্যবহার করে ভারত থেকে লোকজনকে বাংলাদেশে প্রবেশে সহযোগিতা করছে ।
এছাড়াও সরকার ও বিজিবিকে জনমনে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে এ চক্র পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন অপতৎপরতায় জড়িত। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২জুলাই বৃহষ্পতিবার সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা করা হলে তিনি প্রথমেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশের স্বার্থবিরোধী একটি সংবাদ প্রচার করে বিজিবিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলে তিনি আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার বিভিন্ন চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে অনুপ্রবেশ কার্যক্রমে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 





















