10:07 pm, Thursday, 27 August 2026

মৌলভীবাজার খলিলপুর ইউনিয়নের এমদাদ চৌধুরীর মৃত্যু হত্যা নাকি আত্নহত্যা?

স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার সদরের ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের এমদাদ চৌধুরীর আত্নহত্যার নাকি হত্যা এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। তার পরিবার দাবি করছেন তার বন্ধুরা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। গতকাল সোমবার (৩ মে) রাত এমদাদ চৌধুরী মৃতদেহ বাড়ির পুকুর পাড়ের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্তায় পাওয়া যায়। মৃত এমদাদ চৌধুরী ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডর সুলেমান চৌধুরীর ছেলে। এব্যাপারে এলাকার তার ছোট বেলার বন্ধু হাজী মো: সফর আলীর ছেলে আজমল আলী, নাইওর মিয়ার ছেলে খেলু মিয়াকে দায়ী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন তার পিতা। জানাযায়, সদরের খলিলপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের এমদাদ চৌধুরী ৩ মে রাত আনুমানিক এগারোটায় নিজ বাড়ির পুকুর পাড়ে একটি গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্তায় পাওয়া যায়। এমদাদ চৌধুরীর তার ছোট বেলার বন্ধু আজমল আলী ও খেলু মিয়ার সাথে ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। এঘটনায় তাকে পরিকল্পিত তার বন্ধুরা হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছেন। এদিকে আজমল আলীর মা ছালেহা বেগম বলেন, এমদাদ চৌধুরী মৃত্যুর দিন তার ছেলে প্রতিবেশী কয়েক ব্যাক্তি ও সৎ ভাইদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার ছেলেকে সৎ ভাই ও গ্রামের একটি কুচক্রী মহল ফাঁসানো চেষ্টা করছে। খেলু মিয়ার পিতা নাইওর মিয়া বলেন, আমার ছেলে ওই দিন বাড়িতে ছিলনা। সে গ্রামের কিছু লোকের ভয়ে শ্রীমঙ্গলে ছিল। আর গ্রামের ঐ কুচক্রী মহল ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়াছিনুল হক বলেন, এমদাদ চৌধুরীর পিতা সুলেমান চৌধুরী একটি অভিযোগ করেছেন। মৃত দেহের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে বুঝা যাবে হত্যা না আত্নহত্যা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার খলিলপুর ইউনিয়নের এমদাদ চৌধুরীর মৃত্যু হত্যা নাকি আত্নহত্যা?

Update Time : 06:42:08 pm, Tuesday, 4 May 2021

স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার সদরের ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের এমদাদ চৌধুরীর আত্নহত্যার নাকি হত্যা এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। তার পরিবার দাবি করছেন তার বন্ধুরা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। গতকাল সোমবার (৩ মে) রাত এমদাদ চৌধুরী মৃতদেহ বাড়ির পুকুর পাড়ের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্তায় পাওয়া যায়। মৃত এমদাদ চৌধুরী ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডর সুলেমান চৌধুরীর ছেলে। এব্যাপারে এলাকার তার ছোট বেলার বন্ধু হাজী মো: সফর আলীর ছেলে আজমল আলী, নাইওর মিয়ার ছেলে খেলু মিয়াকে দায়ী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন তার পিতা। জানাযায়, সদরের খলিলপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের এমদাদ চৌধুরী ৩ মে রাত আনুমানিক এগারোটায় নিজ বাড়ির পুকুর পাড়ে একটি গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্তায় পাওয়া যায়। এমদাদ চৌধুরীর তার ছোট বেলার বন্ধু আজমল আলী ও খেলু মিয়ার সাথে ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। এঘটনায় তাকে পরিকল্পিত তার বন্ধুরা হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছেন। এদিকে আজমল আলীর মা ছালেহা বেগম বলেন, এমদাদ চৌধুরী মৃত্যুর দিন তার ছেলে প্রতিবেশী কয়েক ব্যাক্তি ও সৎ ভাইদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার ছেলেকে সৎ ভাই ও গ্রামের একটি কুচক্রী মহল ফাঁসানো চেষ্টা করছে। খেলু মিয়ার পিতা নাইওর মিয়া বলেন, আমার ছেলে ওই দিন বাড়িতে ছিলনা। সে গ্রামের কিছু লোকের ভয়ে শ্রীমঙ্গলে ছিল। আর গ্রামের ঐ কুচক্রী মহল ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়াছিনুল হক বলেন, এমদাদ চৌধুরীর পিতা সুলেমান চৌধুরী একটি অভিযোগ করেছেন। মৃত দেহের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে বুঝা যাবে হত্যা না আত্নহত্যা।