3:59 pm, Wednesday, 13 May 2026

মৌলভীবাজার-৪ আসনে টানা সপ্তমবার এমপি হলেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ

বিশেষ প্রতিবেদক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের বিপুল ভোটের ব্যবধানে ৭ম বারের মতো বিজয়ী হলেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী, সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি। রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটায় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মোট ১৬০টি কেন্দ্রেল ফলাফলে ২ লাখ ১২ হাজার ৪৯১ ভোট পেয়ে ৭ম বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ইসলামি ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মোহিত হাসানি (মোমবাতি) ৫ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া ইসলামি ঐক্যজোট প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৮ ভোট।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৯ হাজার ১০১ জন। তন্মধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৩৯৪ জন ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৭০৭ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৬০টি।
৭ম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি মৌলভীবাজার- ৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনে এবার ৭ বারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। এর আগে পরপর ৬ বার তিনি এই আসন থেকে নৌকা প্রতীকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে সরকার দলীয় চিফ হুইপসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে ১৯৯১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসন থেকে এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে আব্দুস শহীদের সঙ্গে এই আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ২০০৯- ২০১৪ পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, ২০০১- ২০০৬ পর্যন্ত সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, এবং ১৯৯৬- ২০০১ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি সংসদের বিভিন্ন পদের দায়িত্বে ছিলেন ২০০১-২০১৯ পর্যন্ত। তিনি জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি ও দশম সংসদে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সংসদ কমিটি, পিটিশন কমিটি ও কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটিরও তিনি সদস্য।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজার-৪ আসনে টানা সপ্তমবার এমপি হলেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ

Update Time : 03:50:37 pm, Sunday, 7 January 2024

বিশেষ প্রতিবেদক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের বিপুল ভোটের ব্যবধানে ৭ম বারের মতো বিজয়ী হলেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী, সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি। রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটায় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মোট ১৬০টি কেন্দ্রেল ফলাফলে ২ লাখ ১২ হাজার ৪৯১ ভোট পেয়ে ৭ম বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ইসলামি ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মোহিত হাসানি (মোমবাতি) ৫ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া ইসলামি ঐক্যজোট প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৮ ভোট।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৯ হাজার ১০১ জন। তন্মধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৩৯৪ জন ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৭০৭ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৬০টি।
৭ম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি মৌলভীবাজার- ৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনে এবার ৭ বারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। এর আগে পরপর ৬ বার তিনি এই আসন থেকে নৌকা প্রতীকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে সরকার দলীয় চিফ হুইপসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে ১৯৯১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসন থেকে এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে আব্দুস শহীদের সঙ্গে এই আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ২০০৯- ২০১৪ পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, ২০০১- ২০০৬ পর্যন্ত সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, এবং ১৯৯৬- ২০০১ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি সংসদের বিভিন্ন পদের দায়িত্বে ছিলেন ২০০১-২০১৯ পর্যন্ত। তিনি জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি ও দশম সংসদে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সংসদ কমিটি, পিটিশন কমিটি ও কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটিরও তিনি সদস্য।